মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারক নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। তাঁর দাবি, এই চুক্তি তেহরানের আগ্রহের ফল নয়, বরং ওয়াশিংটনের প্রবল আগ্রহ ও কূটনৈতিক চেষ্টার ফলেই তা বাস্তবায়িত হয়েছে।

এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় খামেনি জানান, ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় আন্তরিকতা থাকলেও চুক্তি সম্পন্ন করতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিল মার্কিন প্রশাসন। তাঁর মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতির চাপে পড়েই এই সমঝোতা চূড়ান্ত করতে উদ্যোগী হন।

খামেনি আরও বলেন, চুক্তির কিছু বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত আপত্তি থাকলেও দেশের স্বার্থ ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের অবস্থান বিবেচনা করেই তিনি শেষ পর্যন্ত এতে সম্মতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, চুক্তির বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কোনও শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে ইরান তা মেনে নেবে না।

ইরানি জনগণকে চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর সতর্ক নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় অধিকার ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তেহরান কোনও ধরনের আপস করবে না।

উল্লেখ্য, জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পর ফ্রান্সে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ নামে পরিচিত এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়। এর আওতায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, বিভিন্ন সামরিক ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধ করা এবং ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক উপস্থিতি হ্রাসের বিষয়ে দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছেছে।