পুবের কলম প্রতিবেদক: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের পদন্নোতি চালু রয়েছে। এবার সরকার পোষিত অথবা অনুমোদিত স্কুলে শিক্ষকদের পদন্নোতি চালু করতে চাইছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষকদের বহুদিনের দাবি ছিল, সরকার অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষকদের জন্য পদোন্নতি চালু করা হোক। এছাড়া নয়া শিক্ষানীতিতেও এই বিষয়টি উল্লে' করা হয়েছে। শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, স্কুলের শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদানের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা নতুন শিক্ষানীতিতেও এই পদোন্নতির উল্লেখ রয়েছে।
তবে তা শর্তসাপেক্ষে। দীর্ঘ দিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনগুলির পদোন্নতির দাবিতে সোচ্চার ছিল। দেরিতে হলেও নতুন শিক্ষানীতিতে শিক্ষকদের পদোন্নতির প্রস্তাব স্থান পাওয়ায় খুশি শাসকদলের শিক্ষক সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি।আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যে, এ রাজ্যে নতুন শিক্ষানীতি চালুর প্রস্তাব পাশ হয়েছে। গত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনাও হয়। ওই প্রস্তাব বা শিক্ষানীতি এখন কীভাবে কার্যকর করা যায়, সে নিয়েই ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে নবান্নের অন্দরে।
সেই প্রস্তাবের একটি অংশে রাজ্যের স্কুল শিক্ষকদের পদোন্নতির উল্লেখ রয়েছে।আরও পড়ুন:
তবে ঠিক কী কী বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ওই পদোন্নতি হবে, তা এখনও স্থির হয়নি বলেই বিকাশ ভবন সূত্রে খবর। নতুন শিক্ষানীতি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ার পর তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনার একটি অংশ হচ্ছে শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টি।
এ রাজ্যে সরকারি স্কুলে দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষকদের পদোন্নতির পদ্ধতি চালু রয়েছে। কেরিয়ার অ্যাডভান্স স্কীম (সিএএস) পদ্ধতিতে ওই শিক্ষকদের কর্মজীবনের ৮, ১৬ এবং ২৪ বছরে পদোন্নতি ঘটে।
কিন্তু সরকার অনুমোদিত, সরকার পোষিত কিংবা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকদের পদোন্নতি হয় না। তাই এ বারের নতুন শিক্ষানীতিতে ওই সব শিক্ষকদের পদোন্নতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। নতুন এই নীতি কার্যকর হলে ওই সমস্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও পদোন্নতির সুযোগ পাবেন।আরও পড়ুন:
এদিকে শিক্ষকদের একাংশ বলছে, রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ ভালো। হিন্দু স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভ্রজ্যোতি ঘোষ বলেন, স্কুলের শিক্ষকদের পদোন্নতির প্রয়োজন। এতে শিক্ষকরা কাজে উৎসাহ পাবেন।
আরও পড়ুন: