পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কখনও তিনি যুদ্ধ থামানোর কথা বলছেন, তো পরক্ষণেই ফের ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। এহেন টালমাটাল পরিস্থিতির মাঝেই আকাশে উড়তে দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ ‘ডুমসডে’ বিমান, যা পারমাণবিক হামলা সহ্য করতে সক্ষম। আচমকা এই বিমানের উড়ানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার আমেরিকার আকাশে এই ‘বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ’ বা ‘ডুমসডে’ বিমানটিকে উড়তে দেখা গিয়েছে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, নেব্রাস্কায় অবস্থিত নিজস্ব ঘাঁটি থেকে পূর্ব দিকে উড়ে যায় এই বিমানটি। তবে এটি কোথায় অবতরণ করেছে বা বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা মার্কিন প্রশাসনের তরফেও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে ওই বিমানে ছিলেন কি না, তা-ও জানা যায়নি। একাংশের মতে, এটি নিছকই কোনও সামরিক মহড়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, চরম আপৎকালীন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, শীর্ষ আধিকারিক এবং সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের জন্য আকাশে চলমান এই বিশেষ কমান্ড সেন্টারটি তৈরি করা হয়েছে। কোনও যুদ্ধে মাটিতে থাকা কমান্ড সেন্টারগুলি ধ্বংস হয়ে গেলেও এই বিমান থেকে অনায়াসে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া সম্ভব। এটি পারমাণবিক হামলার প্রভাবও সহ্য করতে পারে। মাঝআকাশে জ্বালানি ভরার সুবিধাযুক্ত এই বিমান একটানা ৩৫ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বর্তমান হতাশা এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা পরমাণু হামলার জল্পনার মাঝেই এই ‘কেয়ামত সহ্যকারী’ বিমানের ওড়ার বিষয়টি মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মহল।