আবদুল ওদুদ: যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। শনিবার  কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ছাড়াও কলকাতা বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের প্রতিনিধিরা এবং কলকাতায় সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কলকাতায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত বাংলাদেশের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক আলোচনা পর্ব শুরু হয়। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। পাশাপাশি দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাপনী বক্তব্য দেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস। ঐতিহাসিক সংহতির চেতনাকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনও বিকল্প নেই।