পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সুরাটের হীরা শিল্পের মন্দার কারণে ভালো উপার্জনের আশায় রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সি রমনীক সাখওয়ালা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেখানে গিয়ে অ-যুদ্ধভিত্তিক সহকারী কর্মী হিসেবে যোগ দিতে হয় রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে। সেনায় যোগ দেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যান তিনি। দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে রমনীকের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় সুরাটে তাঁর স্ত্রী ও ১৬ বছরের ছেলে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। নিখোঁজ রমনীকের সন্ধান পেতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রী দপ্তর এবং রুশ দূতাবাসের কাছে সাহায্য চেয়ে আর্জি জানিয়েছে পরিবার।
আরও পড়ুন:
নিখোঁজ রমনীকের ভাই মহেশ সাখওয়ালা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, রমনীক সুরাটের একটি হীরা প্রস্তুতকারক সংস্থার প্ল্যানিং বিভাগে কাজ করতেন। তবে হীরা শিল্পে মন্দা দেখা দেওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। সেই কারণেই কাজের সন্ধানে ২০২৫ সালে ৩ মাসের বিজনেস ভিসা নিয়ে রাশিয়ায় যান রমনীক। পরবর্তীতে তাঁর ভিসার মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসের শুরুতে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন রমনীক।
ভাই মহেশ জানান, রমনীক তাঁদের ফোনে বলেছিলেন যে তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রের সামনের সারিতে নামানো হবে না। কেবল যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাকর্মীদের খাবার ও রসদ জোগানোর কাজ দেওয়া হবে। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ বা সরাসরি লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার কোনো বিষয় থাকবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।আরও পড়ুন:
গত ২৪ জুন স্ত্রী শীতলের সঙ্গে শেষবারের মতো কথা হয়েছিল রমনীকের। সেসময় তিনি জানান যে আগামী ১০-১৫ দিন তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা যাবে না। কিন্তু তারপর চার মাসের বেশি সময় কেটে গেলেও তাঁর আর কোনো হদিস মেলেনি।