যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জর্জিয়া থেকে ফের সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জন ওসফ। নির্বাচনে তাঁর সাফল্যের পর তাঁকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তাঁর বক্তব্যের ধরন, ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক উপস্থিতির মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। তাঁদের কেউ কেউ ওসফকে ‘ভবিষ্যতের বারাক ওবামা’ বা ‘দ্বিতীয় ওবামা’ বলেও অভিহিত করছেন।
আরও পড়ুন:
২০২১ সালে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে জর্জিয়া থেকে নির্বাচিত হয়ে প্রথমবারের মতো সিনেটে প্রবেশ করেন ওসফ।
সে সময় অল্প ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছিল। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জর্জিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হলেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখেন ওসফ। ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে তিনি ভোটারদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ান।আরও পড়ুন:
এবারের নির্বাচনে জর্জিয়ার প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর এই সাফল্যের পর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির একাংশ তাঁকে ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবেও দেখতে শুরু করেছে।
যদিও প্রেসিডেন্ট হওয়ার কোনও আকাঙ্ক্ষা নেই বলে জানিয়েছেন ওসফ।আরও পড়ুন:
১৯৮৭ সালে আটলান্টায় জন্মগ্রহণ করেন জন ওসফ। তাঁর মা অস্ট্রেলীয় অভিবাসী এবং বাবা বেলারুশের ইহুদি পরিবারের সন্তান। নিজে ইহুদি হলেও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সমালোচক হিসেবে পরিচিত তিনি।
আরও পড়ুন:
২০০৮ সালে বারাক ওবামা যখন প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তখন তাঁর বক্তৃতা ও বাগ্মিতা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ওসফের বক্তব্যের ধরন, শরীরী ভাষা এবং জনসমক্ষে উপস্থিতির মধ্যে ওবামার সঙ্গে কিছু মিল রয়েছে। ওবামার মতো তিনিও অনেক সময় শার্টের হাতা গুটিয়ে বক্তৃতা দেন। তাঁর পোশাক ও উপস্থাপনাতেও রয়েছে একই ধরনের সরলতা।আরও পড়ুন:
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ওসফের হয়ে প্রচারেও অংশ নিয়েছিলেন বারাক ওবামা। সেখানে ওসফের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাঁরা দু’জনেই একই ব্যক্তির কাছ থেকে রাজনৈতিক শিক্ষা পেয়েছেন। সেই ব্যক্তি হলেন প্রয়াত নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা জন লুইস। ওবামার এই মন্তব্যের পর দুই নেতার রাজনৈতিক সম্পর্ক ও সাদৃশ্য নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।