মা-বাবার কাছে যাওয়ার জন্য কোনও মহিলাকে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের অনুমতি নিতে হবে না। একই ভাবে, তাঁকে শ্বশুরবাড়ির গৃহস্থালির কাজ করা বা পরিবারের সদস্যদের দেখাশোনার দায়িত্বও জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না। পারিবারিক বিবাদ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে এমনই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে কর্ণাটক হাই কোর্ট।
আরও পড়ুন:
স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যার ভরণপোষণের জন্য প্রতি মাসে ৯ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল টুমাকুরুর পারিবারিক আদালত। সেই অর্থের পরিমাণ কমানোর আবেদন নিয়ে কর্ণাটক হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি।
তবে তাঁর আবেদন খারিজ করে আদালত স্পষ্ট জানায়, ভরণপোষণের পাশাপাশি একজন মহিলার ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও মহিলাকে তাঁর নিজের মা-বাবার কাছে যেতে হলে কেন শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকের অনুমতি নিতে হবে, তা বোধগম্য নয়। তিনি নিজের ইচ্ছামতো মা-বাবার কাছে যেতে পারেন। একই সঙ্গে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির অন্য কোনও সদস্য তাঁকে জোর করে গৃহস্থালির কাজ করা কিংবা তাঁর মা-বাবার দেখাশোনার দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন না।
বিচারপতিরা আরও বলেন, মা-বাবার দেখভালের দায়িত্ব মূলত তাঁদের নিজের সন্তান—ছেলে বা মেয়ের। সেই দায়িত্ব জামাই বা পুত্রবধূর উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না।