২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আর ধরনা দিতে পারবে না ২০১৪’র টেট উত্তীর্ণরা, নির্দেশ আদালতের

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ধর্মতলা সংলগ্ন গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আর ধরনা দিতে পারবে না ২০১৪’র টেট উত্তীর্ণরা। এমনই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আর এতেই বিপাকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ আন্দোলকারীরা।

 

আরও পড়ুন: দুই মাসের আলটিমেটাম: হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদের’, তীব্র অনিশ্চয়তায় গাজা

উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন করে আর ধরনায় বসার অনুমতি দেওয়া হল না ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের।

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ু এসআইআর: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকা প্রকাশের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

নিয়োগের দাবিতে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক পদের চাকরিপ্রার্থীরা। ৫০ জন নতুন আন্দোলনকারীকে ধরনার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই সময়সীমা পার হওয়ার পর ফের জয়েন্ট কমিশনারের কোনও অনুমতি না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীরা।

আরও পড়ুন: স্বর্ণকার খুনের মামলা: রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

 

পূর্বতন বাম সরকারের আমলে ২০০৯ সালে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। পরীক্ষাও হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে সেই নিয়োগ বাতিল করে। ২০১৪ সালে নতুন করে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। প্রত্যন্ত জেলাগুলির নিয়োগ হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নিয়োগ আটকে যায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০১৪ সালের চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেলই প্রকাশিত হয়নি বলে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

একই নথি জমা দিয়ে ভাইয়ের নাম এপ্রুভ, ডিলিট বোনের নাম: ক্ষোভ বংশীহারী ব্লকে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আর ধরনা দিতে পারবে না ২০১৪’র টেট উত্তীর্ণরা, নির্দেশ আদালতের

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ধর্মতলা সংলগ্ন গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আর ধরনা দিতে পারবে না ২০১৪’র টেট উত্তীর্ণরা। এমনই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আর এতেই বিপাকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ আন্দোলকারীরা।

 

আরও পড়ুন: দুই মাসের আলটিমেটাম: হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের নির্দেশ ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদের’, তীব্র অনিশ্চয়তায় গাজা

উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন করে আর ধরনায় বসার অনুমতি দেওয়া হল না ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের।

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ু এসআইআর: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকা প্রকাশের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

নিয়োগের দাবিতে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক পদের চাকরিপ্রার্থীরা। ৫০ জন নতুন আন্দোলনকারীকে ধরনার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই সময়সীমা পার হওয়ার পর ফের জয়েন্ট কমিশনারের কোনও অনুমতি না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীরা।

আরও পড়ুন: স্বর্ণকার খুনের মামলা: রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

 

পূর্বতন বাম সরকারের আমলে ২০০৯ সালে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। পরীক্ষাও হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে সেই নিয়োগ বাতিল করে। ২০১৪ সালে নতুন করে ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। প্রত্যন্ত জেলাগুলির নিয়োগ হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নিয়োগ আটকে যায়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ২০১৪ সালের চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেলই প্রকাশিত হয়নি বলে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীদের।