দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি ছ’তলা বাড়ি ধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত পাঁচ জনের। এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে ভেঙে পড়া কংক্রিটের স্তূপের নীচে আরও ৪০ থেকে ৫০ জন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অন্যদিকে, পড়ুয়াদের মৃত্যুর ঘটনায় দিল্লি ও কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিকে নিশানা করেছে কংগ্রেস।আরও পড়ুন:
সমাজমাধ্যমে শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধসের ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।
আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই মর্মান্তিক ঘটনায় যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, দুর্ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও দিল্লির বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অমূল্য এবং যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেন, এটি এমন এক মর্মান্তিক ঘটনা, যা এড়ানো সম্ভব ছিল।
আরও পড়ুন:
এদিকে, দিল্লি পৌরনিগমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। পৌরনিগমের কমিশনারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন তাঁরা। বিরোধীদের অভিযোগ, পড়ুয়াদের আন্দোলন শুরু হওয়ার আগেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’-এর অংশ হিসেবে এবিভিপিকে মাঠে নামানো হয়েছে।