০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দামি পোশাক, সান গ্লাস পরার অপরাধে দলিত যুবককে বেধড়ক মার, ধৃত ৭  

REPRESENTATIVE IMAGE

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ঝাঁ-চকচকে পোশাক ও সান গ্লাস পড়ার অপরাধে দলিত যুবককে বেধড়ক মার মোদি রাজ্যে। এমনকি ছেলেকে বাঁচাতে এসে হামলাকারীদের হাতে মার খেতে হয় ওই দলিত ছেলের মা’কেও। দু’জনই আপাতত স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের বানাসকাঁথা জেলায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা ৭ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ।

বনসকণ্ঠ জেলা পুলিশের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ‘নির্যাতিত দলিত যুবকের নাম  জিগর শেখালিয়া। বাড়ি পালানপুর  তালুকের মোটা গ্রামে।

মঙ্গলবার সকালে দামি পোশাক এবং সান গ্লাস পরে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জিগর শেখালিয়া। তখনই হামলাকারীদের একজন তাঁকে লক্ষ্য করে টিপ্পনি ছোড়ে। বেশি বাড়াবাড়ি করছে বলে শেখরকে শাঁসিয়ে খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ওই দিন সন্ধ্যায় গ্রামেরই একটি মন্দিরের সামনে গিয়েছিলেন জিগর। পরনে তাঁর দামি পোশাক ছিল। এ বারও সেখানে হাজির হন রাজপুত সম্প্রদায়ের এক দল লোক। অভিযোগ, এ বার আর শাসানি নয়, জিগরকে টানতে টানতে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান তাঁরা। জিগরকে আবার প্রশ্ন করা হয়, বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও কেন তিনি ওই পোশাক পরেছেন। তার পরই লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

ছেলের ওপরে হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শেখরের মা। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলাকারীদের হাতে মার খেতে হয় তাঁকেও। দু’জনের পোশাকও ছিড়ে দেয়।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

‘যুদ্ধ থামাতে যোগাযোগ করেছে’, ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ নাকচ করল ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দামি পোশাক, সান গ্লাস পরার অপরাধে দলিত যুবককে বেধড়ক মার, ধৃত ৭  

আপডেট : ২ জুন ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ঝাঁ-চকচকে পোশাক ও সান গ্লাস পড়ার অপরাধে দলিত যুবককে বেধড়ক মার মোদি রাজ্যে। এমনকি ছেলেকে বাঁচাতে এসে হামলাকারীদের হাতে মার খেতে হয় ওই দলিত ছেলের মা’কেও। দু’জনই আপাতত স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাতের বানাসকাঁথা জেলায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা ৭ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশ।

বনসকণ্ঠ জেলা পুলিশের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ‘নির্যাতিত দলিত যুবকের নাম  জিগর শেখালিয়া। বাড়ি পালানপুর  তালুকের মোটা গ্রামে।

মঙ্গলবার সকালে দামি পোশাক এবং সান গ্লাস পরে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জিগর শেখালিয়া। তখনই হামলাকারীদের একজন তাঁকে লক্ষ্য করে টিপ্পনি ছোড়ে। বেশি বাড়াবাড়ি করছে বলে শেখরকে শাঁসিয়ে খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

ওই দিন সন্ধ্যায় গ্রামেরই একটি মন্দিরের সামনে গিয়েছিলেন জিগর। পরনে তাঁর দামি পোশাক ছিল। এ বারও সেখানে হাজির হন রাজপুত সম্প্রদায়ের এক দল লোক। অভিযোগ, এ বার আর শাসানি নয়, জিগরকে টানতে টানতে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যান তাঁরা। জিগরকে আবার প্রশ্ন করা হয়, বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও কেন তিনি ওই পোশাক পরেছেন। তার পরই লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

ছেলের ওপরে হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শেখরের মা। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলাকারীদের হাতে মার খেতে হয় তাঁকেও। দু’জনের পোশাকও ছিড়ে দেয়।