পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আগামী ২১ জুলাই থেকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হতে চলেছে। তার ঠিক আগেই জম্মু-কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা (Statehood) পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলন তীব্রতর করার ডাক দিল ন্যাশনাল কনফারেন্স (NC) এবং কংগ্রেস। একদিকে এনসি সভাপতি ফারুক আবদুল্লা সাফ জানিয়েছেন যে, রাজ্যের মর্যাদা পাওয়া জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের অধিকার; অন্যদিকে কংগ্রেস এই দাবিতে শ্রীনগর, জম্মু ও দিল্লিতে বড়সড় বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফারুক আবদুল্লা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর বিষয়টি উত্থাপন করার জন্য আমি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধীকে অভিনন্দন জানাতে চাই।” উল্লেখ্য, আসন্ন বাদল অধিবেশনেই যাতে জম্মু-কাশ্মীরকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়, সেই আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন খাড়গে ও রাহুল।
ফারুক আবদুল্লা আরও বলেন, “কেন জম্মু-কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হবে না? এটা আমাদের অধিকার, কোনো দয়া নয়।” তিনি জানান, ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের নেতাদের একটি বৈঠক হবে, যেখানে এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
দলের প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী জাভেদ রানা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে সীমানা নির্ধারণ (Delimitation) এবং নির্বাচনের পর রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এখন যখন নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, তখন সরকারের উচিত সেই কথা রাখা। রানা আরও যোগ করেন, “আমরা পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা চাই। রাজ্যের ক্ষমতা হাতে এলে আইন-শৃঙ্খলার মতো বিষয়গুলিও আমাদের অধীনে থাকবে।”
আন্দোলনের সুর আরও উঁচুতে বেঁধে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা জি এ মির জানিয়েছেন, তাঁরা জম্মু, কাশ্মীর এবং দিল্লি—তিন জায়গাতেই বিক্ষোভ দেখাবেন। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই জম্মু-কাশ্মীরের এই রাজনৈতিক তৎপরতা কেন্দ্র সরকারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।



























