পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : জম্মু ও কাশ্মীরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অমিত শাহ। মেঘভাঙা বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে একবারে বিপর্যস্ত জম্মু ও কাশ্মীর। নিহত হয়েছেন ১৫০ জনেরও বেশি। সোমবার জম্মুর যে সমস্ত এলাকাগুলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলি পরিদর্শনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথেও কথা বলছেন বলে জানা গেছে।
এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ত্রাণও ঘোষণা করতে পারেন শাহ।আরও পড়ুন:
সর্বপ্রথম দুর্যোগের ঘটনাটি ঘটেছিল মাতা মাচাইল মন্দিরে যাওয়ার সময়, কিশতোয়ার জেলার চসোটি গ্রামে। এই দুর্যোগে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে থেকে ৬৮ জনের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেলেও ৩২ জন এখনও নিখোঁজ।
দ্বিতীয় দুর্যোগটি তিনদিন পরে কাঠুয়া জেলায় ঘটেছিল। এখানে মেঘভাঙনের ফলে নিহত ৭ জন ও আহত হয়েছিলেন প্রায় ১২ জনেরও বেশি।আরও পড়ুন:
এরপর গত ২৬শে আগস্ট ইন্দ্রপ্রস্থ ভোজনালয়ের ঠিক কাছেই হঠাৎ করে এক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। আর তাতে নিহতের সংখ্যা ৩৪ জন ও আহত ২৩ জন।
জানা গেছে উল্লেখ্যদের মধ্যে বেশিরভাগই তীর্থযাত্রী ছিলেন। এরপর ৩০শে আগস্ট, রিয়াসি জেলায় আবারও ভূমিধসের ফলে একই পরিবার থেকে সাতজন নিহত হয়েছেন। ওইদিন রাতেই রামবান জেলার রাজগড়ের গডগ্রাম গ্রামে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে চারজন নিহত হয়েছেন ও নিখোঁজ হয়েছেন একজন।আরও পড়ুন:
আবহাওয়া দফতরের পরিচালক মুখতার আহমেদ এই বিষয়ে জানিয়েছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ুগত পরিবর্তনের জন্য এই ধরনের মেঘ ভাঙনের ঘটনা বারংবার ঘটার সম্ভাবনা প্রবলভাবে রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে আগামী ২রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো আপাতভাবে এড়িয়ে চলার জন্য নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।