পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ শনিবারই বিশ্বকাপে শেষ ৩২-এর ২৮টি দল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল ৪টি দলের। এর মধ্যে ভাগ্য নির্ধারণ ছিল স্কটল্যান্ডেরও। ২৫ জুন গ্রুপ সি,তে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছিল। ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করেছিল গ্রুপ পর্ব। নক আউটের ক্ষীণ আশা নিয়ে বসে ছিল স্কটিশরা। যদি তৃতীয় সেরা ৮ দলের মধ্যে থেকে শেষ ৩২-এ জায়গা মেলে। তাকিয়ে ছিল ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচের দিকে। পানামার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের এবং ঘানার বিরুদ্ধে ক্রোয়েশিয়ার জয়ে নক আউটের স্বপ্ন শেষ ২৮ বছর পর আবার বিশ্বকাপের আসরে ফেরা স্কটল্যান্ডের।

 

প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়। পরের ম্যাচে ঘানার কাছে আটকে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। গ্রুপ শীর্ষে থাকার জন্য লিগের শেষ ম্যাচে পানামার বিরুদ্ধে জিততেই হত। ২,০ ব্যবধানে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নকআউটে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। পানামার বিরুদ্ধে গোল করে নতুন রেকর্ড গড়লেন ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। ভেঙে দিলেন স্বদেশীয় গ্যার লিনেকারের রেকর্ড। অন্য ম্যাচে, ঘানাকে ২,১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউটে পৌঁছে গেছে ক্রোয়েশিয়াও। গ্রুপ ‘এল’ থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া। তৃতীয় সেরা দল হিসেবে ঘানাও।

   

ঘানার বিরুদ্ধে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড সমর্থকরা আশা করেছিলেন গ্রুপ শীর্ষে থাকার জন্য লিগের শেষ ম্যাচে দুর্বল পানামার বিরুদ্ধে হয়তো জ্বলে উঠেবেন হ্যারি কেনরা। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের সেই দাপট না থাকলেও বেশ কয়েকটা সুযোগ এসেছিল। পানামার গোল লক্ষ্য করে ৯টি শট নিলেও ইংলান্ডের আক্রমণভাগকে খুব বেশি আগ্রাসী মনে হয়নি। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি হ্যারি কেনরা। মার্কাস রাশফোর্ড ও বুকায়ো সাকার একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন পানামার গোলরক্ষক। ২৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল পানামার সামনে। লুইস রড্রিগেসের শট আটকে দলকে বাঁচান ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড।

জয়ের তাগিদে দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ছবিটা বদলে যায়।

আক্রমণে আরও ধার বাড়ায় ইংল্যান্ড। অবশেষে ৬২ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন জুড বেলিংহাম। বুকায়ো সাকার কর্নার থেকে দুরন্ত ভলিতে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ৫ মিনিট ২,০। এই গোলেও জুড বেলিংহামের অবদান। বাঁদিক থেকে বেলিংহামের নিখুঁত সেন্টারে হেডে গোল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। বিশ্বকাপে এটা তাঁর ১১ নম্বর গেল। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে দিলেন দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি গোল করা গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড। ম্যাচের বাকি সময় আধিপত্য থাকলেও গোল সংখ্যা আর বাড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড।