পুবের কলম প্রতিবেদকঃ পোশাকের ভিতর লুকিয়ে কিংবা গোপনাঙ্গে আটকে সোনা পাচার এখন বেশ পুরনো। সোনা কিংবা হেরোইন পাচারের জন্য নতুন নতুন পদ্ধতি খুঁজে বার করছে পাচারকারিরা। কিন্ত কাস্টমসের কর্মীরা হাতেনাতে ধরে ফেলছে পাচারকারীদের কায়দাকানুন। তাই নিত্যনতুন পদ্ধতিতে সোনা পাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এবার যেমন শুল্ক দফতরেরে চোখে ধুলে দিতে ‘সোনার মলম’ তৈরি করে ফেলেছে তারা।
তাও আবার পোশাকে সেলাই করে রাখা অংশে এমন ভাবে আটকে রাখছেন যে বুঝে ওঠাই দুষ্কর।আরও পড়ুন:
কিন্তু শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের চোখ এড়ানো কি এতই সহজ? জানা গিয়েছে, দুবাই থেকে দুই ব্যক্তি কলকাতায় আসে। তারা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই শুরু হয় তল্লাশি। ব্যাগে– শরীরে– পোশাকে সন্দেহজনক কিছুই মেলেনি।
এমনকী– মেটাল ডিটেক্টরেও ধরা পড়ছিল না কিছু। তার পরই দিন কয়েক আগের হায়দরাবাদের বিমানবন্দরের কথা মাথায় আসে তল্লাশিকারী আধিকারিকদের। দুই ব্যক্তির পরনের জিনস খোলানো হয়। তার পরই কোমরের যে অংশে সেলাই করা থাকে– তা কেটে ফেলেন আধিকারিকরা। তখনই বেরিয়ে আসে আসল সত্য। দেখা যায়– জিনসের ভিতর রয়েছে ১ কিলো ৬০০ গ্রামে সোনার মলম বা গোল্ড পেস্ট। কী এই সোনার মলম বা গোল্ড পেস্ট? প্রথমে সোনাকে গলিয়ে তার মধ্যে খাদ এবং বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে এই মলম বানানো হয়। সাধারণত এই মলম বিমানবন্দরে ‘মেটাল ডিটেক্টর’ পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। পাচারের পর রাসায়নিক এবং খাদ আলাদা করার জন্য প্রথমে ওই পেস্টকে গুড়ো পাউডারে পরিণত করা হয়। তার পর তা থেকে সোনাকে আলাদা করে নেওয়া হয়।আরও পড়ুন:
বিমান বন্দরে ধরা সোনা মলমের আনুমানিক মূল্য ৬৬ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে দুজনকে।