পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে একটি চুনাপাথরের খনিতে পাথর ধসে রোববার নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং সাতজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে নিখোঁজ ব্যক্তিরা ইতোমধ্যেই মারা গেছেন। একজন সামরিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালে পশ্চিম জাভা প্রদেশের সিরেবন শহরের খনিতে হঠাৎ পাথর ধসে শ্রমিক ও বেশকিছু ভারী যন্ত্রপাতি চাপা পড়েছে। এ সময় পাথর ধসে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সামরিক প্রধান মুখাম্মদ ইউসরন এএফপিকে বলেন, ‘আজ আমরা আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেছি, যার ফলে মোট নিহতের সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আরো সাতজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। আমরা সন্দেহ করছি নিখোঁজ ব্যক্তিরা ইতিমধ্যেই মারা গেছেন।’
আরও পড়ুন:
মুখাম্মদ ইউসরন বলেন, ‘উদ্ধারকারী দল বাকিদের সন্ধানে খননকারী ও উদ্ধার কুকুর মোতায়েন করেছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘পাথরের কাঠামোর কারণে অনুসন্ধান অভিযান চ্যালেঞ্জিং ও বিপজ্জনক।
আমাদের উদ্ধারকারীদের নিরাপত্তার দিকে মনোযোগ দিতে হবে কারণ অভিযানের সময় আরো পাথর ধসের ঘটনা ঘটেছে।’আরও পড়ুন:
শুক্রবারের ঘটনাটি ছিল ইন্দোনেশিয়ায় দ্বিতীয় খনি ধসের ঘটনা। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে খনি ধসের ঘটনা ঘটে তবে সে সময় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
খনিজসমৃদ্ধ দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দ্বীপপুঞ্জজুড়ে খনি দুর্ঘটনা সাধারণ। বিশেষ করে লাইসেন্সবিহীন স্থানে যেখানে সুরক্ষা প্রোটোকল প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়। গত বছরের জুলাই মাসে, সুলাওয়েসির কেন্দ্রীয় দ্বীপে একটি অবৈধ স্বর্ণের খনির কাছে একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ভূমিধসে কমপক্ষে ২৩ জন মারা যান এবং ৩৫ জন নিখোঁজ হন।
আরও পড়ুন:
গত ২০২৩ সালে মধ্য জাভাতে একটি অবৈধ স্বর্ণের খনিতে আটকা পড়ে আটজন শ্রমিক প্রাণ হারান।