ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং তেল বিক্রি থেকে আয় কমে যাওয়াকে দায়ী করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে পণ্য আমদানিতে আগের তুলনায় বেশি সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দামও বাড়ছে।

তিনি বলেন, আগে জাহাজে করে সহজেই পণ্য আমদানি করা যেত। এখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পণ্য আনতে হচ্ছে। এতে পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহের খরচ বেড়ে গিয়ে সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর।

ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির রাজস্ব আয়ও কমেছে।

বিশেষ করে তেল বিক্রি থেকে আগের মতো আয় করা সম্ভব হচ্ছে না। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কয়েকটি শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরকারের কর আদায়ের পরিমাণও কমে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

পেজেশকিয়ান বলেন, কারখানাগুলো ধ্বংস হওয়ার ফলে সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে আগের মতো কর আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অর্থনৈতিক সংকট ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।