পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দিল্লির রাস্তায় হাড়হিম ঘটনা ঘটল। প্রকাশ্যে এক স্কুলশিক্ষিকাকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তাঁরই পুলিশ কনস্টেবল স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার ভোরে পূর্ব দিল্লির কল্যাণপুরী এলাকায়। স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ মাঝরাস্তায় ফেলেই ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় অভিযুক্ত ওই পুলিশকর্মী।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম মণীশ ভাটী।
ত্রিশ বছর বয়সি মণীশ দিল্লি পুলিশের অ্যান্টি-অটো থেফট স্কোয়াড বা এএটিএস বিভাগে পূর্ব দিল্লিতে কর্মরত। তাঁর স্ত্রী, ছাব্বিশ বছরের প্রিয়ঙ্কা ভাটী পেশায় একজন স্কুলশিক্ষিকা ছিলেন। জানা গিয়েছে, সোমবার ভোরে দু'জনে একসঙ্গে স্কুটারে করে বেরিয়েছিলেন। মণীশ স্কুটার চালাচ্ছিলেন এবং প্রিয়ঙ্কা পিছনের আসনে বসেছিলেন। যাত্রাপথে আচমকাই তাঁদের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে তীব্র বচসা শুরু হয়। একপর্যায়ে স্কুটার থামিয়ে দু'জনেই রাস্তায় নেমে পড়েন। ঝগড়া চরমে উঠলে হঠাৎই স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দেন মণীশ। প্রিয়ঙ্কা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে ওই রক্তাক্ত অবস্থাতেই ফেলে স্কুটার নিয়ে পালিয়ে যান তিনি।আরও পড়ুন:
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং ইতিমধ্যেই তরুণীর পরিবারকে এই মর্মান্তিক দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে আরও এক দুর্ভাগ্যজনক তথ্য যে দিন এই খুনের ঘটনা ঘটে, অর্থাৎ সোমবারই ছিল নিহত প্রিয়ঙ্কার জন্মদিন। জন্মদিনের দিনই স্বামীর হাতে এমন নৃশংসভাবে খুন হতে হল তাঁকে। এই মুহূর্তে পলাতক কনস্টেবল স্বামীর খোঁজে পুলিশের বিভিন্ন দল জোর তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।