পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী বছর থেকেই কিছু মার্কিন সেনা ও সামরিক স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে সামরিক ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে সিএনএন।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। রয়েছে দুটি বিমানবাহী রণতরি ও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও।
তবে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব ও কুয়েতের কয়েকটি মার্কিন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই সামরিক কাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।আরও পড়ুন:
আলোচনায় থাকা পরিকল্পনার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু ঘাঁটি পুনর্নির্মাণ না করা, স্থায়ী ঘাঁটির বদলে প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা এবং কয়েকটি স্থাপনা ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার বিষয় রয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সেনা কমিয়ে আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর নিরাপত্তার দায়িত্ব বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় আছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরাক, আফগানিস্তান ও সিরিয়াসহ বিভিন্ন সংঘাতের কারণে আগের সেনা প্রত্যাহারের উদ্যোগ বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইরানের সঙ্গে সংঘাত এখনো চলমান থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবস্থানগুলো দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা অবশ্য কম। ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি পুনর্নির্মাণে কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে বলেও জানা গেছে।