পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ক্রমবর্ধমান তীব্র যানজট মোকাবিলার জন্য পুরোনো ফ্লাইওভার ভেঙে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির বহুতল পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি। মুম্বইয়ে শনিবার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে নিজেই এক ঘণ্টারও বেশি সময় তীব্র যানজটে আটকে পড়েন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেই অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে রসিকতার ছলে তিনি নিজের পুরানো সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন এবং ভারতীয় নগর পরিবহন ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের বার্তা দেন।

মুম্বইয়ে 'ইন্দো-আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স' আয়োজিত ২২তম 'ইন্দো-আমেরিকান কর্পোরেট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস'-এ বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

ওরলি থেকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা সময় লেগে যাওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুক্ষণ পর পৌঁছান। অনুষ্ঠানে বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে গড়করি বলেন, "আজ এখানে পৌঁছাতে আমার এক ঘণ্টা দেরি হয়েছে, কারণ আমি ওরলি থেকে আসার পথে যানজটে আটকে পড়েছিলাম। তবে সততার সঙ্গে বললে, এটা আসলে আমারই পুরোনো ভুলের মাশুল দেওয়া! (শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল)।
১৯৯৫ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে আমি মহারাষ্ট্রের পূর্ত মন্ত্রী থাকাকালীন ৫৫টি ফ্লাইওভার, বান্দ্রা-ওরলি সি লিঙ্ক এবং মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু তখন আজকের মতো আধুনিক প্রযুক্তি উপলব্ধ ছিল না।"

কয়েক দশক আগে ডিজাইন করা পরিকাঠামো যে বর্তমান অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সামলাতে পারছে না, তা স্বীকার করে নেন তিনি। তিনি জানান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসকে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যেন সনাতনী প্রযুক্তির পুরোনো ফ্লাইওভারগুলো ভেঙে ফেলা হয় এবং নতুন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি করা হয়। পুণেতে পরিকল্পিত ৫০,০০০ কোটি টাকার পরিকাঠামো প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে গড়করি জানান, মালয়েশিয়া থেকে একটি বিশেষ প্রযুক্তি আনা হয়েছে। এর ফলে একটি মাত্র পিলারের ওপর ভিত্তি করে একের পর এক স্তরে ফ্লাইওভার এবং তার ওপর দিয়ে মেট্রো করিডোর নির্মাণ করা সম্ভব হবে।