পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: তৃণমূল ছেড়ে সম্প্রতি এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া লোকসভার ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৭ জন এ বার সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বলে দাবি করলেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। সোমবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মুর্শিদাবাদের তিন সংখ্যালঘু সাংসদ বাদে বাকিরা পুজোর আগেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। জগদীশ আরও দাবি করেন, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান সরাসরি বিজেপিতে যোগ না দিলেও শাসকজোট এনডিএ-কে সমর্থন করবেন এবং তাঁদের বিভিন্ন দফতর দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
এই দাবি সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের।
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জগদীশের বক্তব্য তাঁর নিজস্ব মতামত। তাঁরা কেউই বিজেপি বা এনডিএ-তে যোগ দেবেন না। উন্নয়নমূলক সরকারি বৈঠক ছাড়া কোনও রাজনৈতিক জোটে তাঁরা সামিল হবেন না বলেও জানান তিনি। কাকলি ঘোষ দস্তিদার বা বাপি হালদারও জগদীশের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বলতে অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে জানিয়েছেন, কেউ চাইলেই বিজেপি তাঁকে নিয়ে নেবে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই।আরও পড়ুন:
জগদীশের দাবি, তাঁরা প্রথম থেকেই বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিন সংখ্যালঘু সাংসদের আপত্তিতে দলের নেতাদের হস্তক্ষেপে তাঁদের সাময়িকভাবে এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। স্পিকারের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। এর আগে লোকসভার সচিবালয় তাঁদের জবাব তলব করলে তাঁরা ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত লোকসভার নথি অনুযায়ী তাঁরা তৃণমূলেরই সাংসদ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছেন।