সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজ চত্বরে উপস্থিতির হার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিল পরিস্থিতি সোমবারও কাটেনি। জানা গিয়েছে, সোমবার উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম কলেজে উপস্থিত হননি এবং তিনি বাড়ি থেকেই দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেছেন। অন্যদিকে, কলেজে পড়ুয়ারা উপস্থিত থাকলেও কোনো শিক্ষক না আসায় এদিন কোনো ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা সোমবারও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়ে গিয়েছে।

উপাধ্যক্ষ জানিয়েছেন, এই জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে তিনি মঙ্গলবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে একটি বৈঠকের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে উপস্থিতির হার পূরণ করার মাধ্যমে যাতে প্রতিটি পড়ুয়া পরীক্ষায় বসতে পারেন, সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করবেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে ঘেরাও করে রাখার পর শুক্রবার জোরপূর্বক তাঁকে দিয়ে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয়েছিল। প্রাণনাশের হুমকির মুখে তিনি বাধ্য হয়ে তাতে সই করেছিলেন এবং পরবর্তীতে ই-মেইল মারফত সেই পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

অন্যদিকে, উপাধ্যক্ষের এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের পাল্টা অভিযোগ, উপাধ্যক্ষকে পদত্যাগের জন্য কোনো প্রকার চাপ দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের মতে, কলেজের অনলাইন পোর্টালে ক্লাসের কোনো সংখ্যাই উল্লেখ করা নেই, তাই উপস্থিতির হার কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে তা নিয়ে কোনো স্বচ্ছতা নেই। সোমবার উপাধ্যক্ষের কলেজে আসার কথা থাকলেও তিনি বা অন্য কোনো শিক্ষক না আসায় পঠনপাঠন প্রক্রিয়া পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে, যা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সুরেন্দ্রনাথ আইন কলেজে উপস্থিতির হার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা এখনও কাটল না। সোমবার কলেজে যাননি উপাধ্যক্ষ মহম্মদি তরন্নুম। তিনি বাড়ি থেকেই কাজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, পড়ুয়ারা কলেজে উপস্থিত থাকলেও কোনও শিক্ষক না আসায় এদিন কোনও ক্লাস হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। ফলে গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই সমস্যা সোমবারও অমীমাংসিতই থেকে গিয়েছে।

উপাধ্যক্ষ জানিয়েছেন, জট কাটাতে তিনি মঙ্গলবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বৈঠকের আবেদন করেছেন।

তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, অতিরিক্ত ক্লাস করিয়ে উপস্থিতির হার পূরণ করে যাতে সব পড়ুয়া পরীক্ষায় বসতে পারেন, সেই ব্যবস্থা তিনি করবেন। প্রসঙ্গত, এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে ঘেরাও করে রাখার পর শুক্রবার জোরপূর্বক তাঁকে দিয়ে পদত্যাগপত্রে সই করানো হয়েছিল। প্রাণনাশের হুমকির কারণে তিনি বাধ্য হয়ে তাতে সই করেন এবং পরে ই-মেল করে তা প্রত্যাহার করে নেন।

অন্যদিকে, উপাধ্যক্ষের এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের পাল্টা দাবি, উপাধ্যক্ষকে পদত্যাগের জন্য কোনও চাপ দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের মতে, কলেজের অনলাইন পোর্টালে ক্লাসের কোনও সংখ্যাই উল্লেখ নেই, তাই উপস্থিতির হারের হিসাব কীভাবে করা হচ্ছে তা একেবারেই স্পষ্ট নয়। সোমবার উপাধ্যক্ষের কলেজে আসার কথা থাকলেও তিনি বা অন্য কোনও শিক্ষক না আসায় পঠনপাঠন পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রছাত্রীরা।