পারিজাত মোল্লা: বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের এজলাসে বড়সড় আইনি স্বস্তি পেল নন্দীগ্রামের গেরুয়া শিবির। নন্দীগ্রামের দুই ব্লকে বিজেপি নেতা ও কর্মীদেরকে সুরক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন:
আদালতের নির্দেশ,-' আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না' । এদিন পুলিশকে এই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।
মামলাকারীরা পুরনো এবং নতুন মিলিয়ে প্রায় ১৬টি মামলার তালিকা আদালতের কাছে তুলে ধরেন । আদালতে আবেদনকারীদের দাবি , -' পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে এই মামলাগুলিকে সামনে রেখে তাঁদের হেনস্তা করা হতে পারে' । বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, -'ওই মামলাগুলির তদন্ত চলতে পারে। কিন্তু তার ভিত্তিতে কোনও কড়া পদক্ষেপ আপাতত করা যাবে না আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে' ।আরও পড়ুন:
নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকে বিজেপির হয়ে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের বিভিন্ন মামলায় হেনস্তা করা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ সেখানকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের। তাঁদের আশংকা, ভোট যত কাছে এগিয়ে আসবে, তাঁদের উপর হেনস্থা আরও বাড়বে। এই আশংকার কথা জানিয়েই গত মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকের বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।
আরও পড়ুন:
মামলাকারীদের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, -' শাসক দলের টার্গেট নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে বিরোধীদের হেনস্তা করে ভোটের ময়দান থেকে দূরে রাখার চেষ্টা হচ্ছে' । এই অবস্থায় ৪০ থেকে ৫০ জন প্রার্থী ও সমর্থকের হেনস্তা ঠেকাতে বাধ্য হয়ে বিজেপি নেতৃত্ব আদালতে মামলা দায়ের করার আবেদন জানিয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা। আবেদনকারীদের আইনজীবী আবেদন করেন, -' অন্তত পঞ্চায়েত ভোট পর্যন্ত যাতে মামলাকারী বিজেপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা না হয় । এ ব্যাপারে আদালতে আইনি রক্ষাকবচ আবেদন জানান মামলাকারীরা ।তাঁদের আবেদনে সাড়া দিয়েছে আদালত।
আরও পড়ুন:
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার তাঁর নির্দেশে জানিয়েছেন, -'আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকে বিজেপির ৫০ জন কর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না '।