পুবের কলম প্রতিবেদক: শুধুমাত্র কিউআর কোড থাকা সবুজ আতশবাজিকেই রাজ্যর বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হবে। রাজ্য পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মুখ্য সচিব এইচ.কে দ্বিবেদী এবং স্বরাষ্ট্র সচিব বি. পি. গোপালিকা নবান্নে সারা বাংলা আতশবাজি ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সংগঠনটি আতশবাজি ব্যবসায়ীদের পেনডিং থাকা লাইসেন্সের পুনর্নবিকরণের বিষয়কে দ্রুত-ট্র্যাক করতে এবং কলকাতা হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশনা মেনে শুধুমাত্র সবুজ আতশবাজি ব্যবহার করা নিয়ে মুখ্য সচিবকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সংগঠনের প্রধান বাবলু রায় বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ীর ফায়ার লাইসেন্সগুলি গত দুই বছর আটকে রয়েছে। যারা নতুন আবেদনকারী তাদেরকে লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়াকে সহজ করার জন্য আমরা মুখ্য সচিবকে অনুরোধ করেছি।
তিনি আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।আরও পড়ুন:
সংগঠনের পক্ষ থেকে মুখ্য সচিবের কাছে ১২৫ ডেসিবেল শধসীমা পর্যন্ত বাজি ফাটানোর অনুমতির আবেদন জানানো হয়েছে। বাবলু রায় বলেন, অন্যান্য রাজ্যে ১২৫ ডেসিমেল শব্দসীমা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যায়। শুধুমাত্র বাংলায় ৯০ ডেসিবেল শব্দসীমা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কলকাতার চারটি স্থানে আতশবাজির বাজার বসবে।
তিনটি হল টালা পার্ক, কালিকাপুর এবং বেহালা।আরও পড়ুন:
তবে শহিদ মিনার মাঠের ক্ষেত্রে অনুমতি-সম্পর্কিত অসুবিধা রয়েছে। তাই এই ভেন্যুটি বাগবাজার এলাকায় স্থানান্তর করার চেষ্টা চলছে। কলকাতা পুলিশ ব্যবসায়ীদের বাজির বাজারগুলির কাছে একটি করে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে রাখতে বলেছে। বাজি বাজারের আরও দু'টি ভেন্যু হবে হাওড়ার ডুমুরজলা মাঠে এবং হাওড়ার সালকিয়ার ঘোষবাগানে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, কলকাতা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে বড়বাজার ফায়ারওয়ার্কস ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফডিএ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি সমন্বয় সভা করেছে। এই সংগঠন শহরের বাজির বাজারগুলিকে পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন: