পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের যাবতীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দফতরের যুগ্ম সচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন:
সরকারি ঘোষণায় বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ধারা ১৮(১)-এর আওতায় সরকার মনে করে, আওয়ামী লীগ ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা জরুরি।
আরও পড়ুন:
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় মিছিল, সভা-সমাবেশ, যে কোনও ধরণের প্রচারমূলক কার্যক্রম, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার, দলীয় সম্মেলন ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড;সবকিছুই নিষিদ্ধ বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশজুড়ে ছাত্র ও নাগরিকদের গণআন্দোলনের সময় উক্ত সংগঠন ও এর সহযোগী শাখাগুলি সন্ত্রাস ও নিপীড়নের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। অপহরণ, হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, বেআইনি আটক ও অমানবিক নির্যাতনের মতো অভিযোগ বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রিপোর্টে উঠে এসেছে।
আরও পড়ুন:
৫ আগস্টের পূর্ববর্তী সময়ে অর্থাৎ ১৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন দমনে এই সংগঠনের নেতৃত্ব ও কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে সহিংস কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা, সাক্ষীদের হুমকি, রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য প্রচার ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার অভিযোগও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সরকারের দাবি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য চক্রান্ত ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে, বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটি এবং এর অধীনস্থ সংগঠনগুলির সমস্ত ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।