পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: স্বস্তি ফিরল দক্ষিণ ভারতে। ঘূর্ণাবর্ত ও ঘূর্ণিঝড়ের বাধা কাটিয়ে অবশেষে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু ঢুকল কেরলে। শুক্রবারের আগেই বর্ষা ঢুকল কেরলে। বুধবার থেকে সেই রাজ্যে শুরু হয় প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি। কেরলে বর্ষা ঢোকার নির্ধারিত সময় পয়লা জুন। কিন্তু চলতি বছরে খানিকটা দেরিতে ৪ জুন বর্ষা ঢুকবে বলে জানিয়েছিল মৌসম ভবন।
Advertisement
এর মাঝে বাধা সৃষ্টি করে ঘূর্ণাবর্ত। ফলে আরও চারদিন দেরিতে ৮ জুন কেরলে বর্ষা ঢুকল। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার থেকে কেরলে ভারী বৃষ্টি শুরু হবে। আগামী ৫ দিন কেরলে ভারী বৃষ্টি ও প্রবল ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি বেঙ্গালুরু-সহ কর্ণাটকেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে আজ। ঘূর্ণিঝড় 'বিপর্যয়'-এর কারণে মুম্বই, গোয়া, কর্ণাটক, কেরলে আগেই ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছিল মৌসম ভবন।
Advertisement
১২ জুন পর্যন্ত এই রাজ্যের উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। ঘণ্টায় ১৭০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। যার পরেই রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত রয়েছে। ৭ জুন জলপাইগুড়িতে বর্ষা প্রবেশের সাধারণ দিনক্ষণ। শিলিগুড়িতে মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করে ৮ জুন। আর দক্ষিণবঙ্গের কলকাতায় বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক সময় ১১ জুন।
Advertisement
তবে এক্ষেত্রে ১১ জুনের পর উত্তরবঙ্গ ও সিকিমে ঢুকতে পারে বর্ষা। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী রবিবার কলকাতায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে-দুই মেদিনীপুর ও দুই ২৪ পরগনায়। ১৫ তারিখ থেকে বাড়বে বৃষ্টি। ভিজবে উত্তরের পাঁচ জেলাও। ১১ তারিখের পর সেই বৃষ্টি বাড়বে। তবে আপাতত তাপপ্রবাহ চলবে পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, দুই দিনাজপুর এবং মালদহে তাপপ্রবাহ চলবে। আপাতত আর্দ্র ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়া চলবে কলকাতাতেও।