পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
আরও পড়ুন:
সাক্ষাৎকারে বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রশ্ন করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের একটি অবনতি দেখা গেছে, এখন দুই দেশের সম্পর্ক কোন পর্যায়ে আছে? মীর সাব্বিরের প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক খুবই ভালো। আমাদের সম্পর্কের কোনো অবনতি হয়নি।বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই।
আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, আমাদের পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা এত বেশি এবং ঐতিহাসিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের এত ক্লোজ সম্পর্ক, সেটা থেকে আমরা বিচ্যুত হতে পারবো না। তবে মাঝখানে কিছু কিছু দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, আমি বলেছি মেঘ দেখা দিয়েছে। এই মেঘগুলো মোটামুটি এসেছে অপপ্রচার থেকে। অপপ্রচারের সূত্র কারা সেটা অন্যরা বিচার করবে। কিন্তু এই অপপ্রচারের ফলে আমাদের সঙ্গে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি।আরও পড়ুন:
আগামী ৩-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে বিমস্টেক সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলদেশের মুখ্য উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস। সেই সময় মোদি-ইউনুস মুখোমুখি বৈঠকে বসবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এর আগে ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই নিউইয়র্কে একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইউনুস এবং মোদি তবে মোদি এবং ইউনুস মুখোমুখি হননি।
আরও পড়ুন:
প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিবিসি বাংলা জানতে চায় ভারত সরকারের সঙ্গে আপনার সরাসরি যোগাযোগ হচ্ছে কিনা। এর জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সবসময় যোগাযোগ হচ্ছে। তারা এখানে আসছে, আমাদের লোকজন সেখানে যাচ্ছে।
প্রাইম মিনিস্টার মোদির সঙ্গে আমার প্রথম সপ্তাহেই কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। এর পর প্রশ্ন করা হয় ইলন মাস্কের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলাপ নিয়ে। তাঁকে আপনি বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ? এটা কি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সাথে একটা সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা? এর জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটা মূলত ছিল স্টারলিংক নিয়ে। এটা ব্যবসায়ীক সম্পর্কের বিষয় । স্টারলিংকের কানেকশনটা আমরা নিতে চাই, একথা তাঁকে বলেছি ।