পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ দীর্ঘ দু'দশক পর বিহারে শেষ হল নীতিশ জমানা। রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন আগেই। আর নীতিশ কুমার ইস্তফা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে। আর নীতিশের ইস্তফা দেওয়ার পরেই উঠে আসে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম। জল্পনা মতোই বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নাম হিসবে উঠে আসল বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরীর নাম। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করার কথা ঘোষণা করেছে বিজেপি।

এই প্রথম সেখানে মুখ্যমন্ত্রী পাচ্ছে বিজেপি। 

মঙ্গলবার সকালে প্রথমে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন। এরপর লোকভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। এর আগে গত ১০ এপ্রিল নীতিশ রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তারও আগে গত ৫ মার্চ নিজেই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সেই ঘোষণা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বিহারের রাজনীতিতে।

তাঁর সেই সিদ্ধান্ত মানতে চাননি তাঁর দল জেডিইউয়ের কর্মীদের একাংশ। এমনকি নীতিশের বাড়ির সামনে ভিড় করে কর্মী সমর্থকদের আবেগঘন হয়ে পড়তে দেখা গিয়েছিল।  তবে মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছেড়ে নীতিশ কেন রাজ্যসভায় যাচ্ছেন তানিয়ে বিস্তর জল্পনাও শুরু হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি ছিল, বিজেপির চাপ ছিল নীতিশের ওপর, আবার অনেকের ধারণা ছিল নীতিশের পুত্র নিশান্ত কুমারকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে। 

তবে জল্পনা যাই হোক বিহারের নিয়ন্ত্রণ এবার সরাসরি বিজেপির হাতে চলে এল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এতদিন সম্রাট ছিলেন নীতিশের ডেপুটি।

এবার তিনি হতে চলেছেন বিহারে বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। জেডিইউ-র কার্যনির্বাহী সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয়কুমার ঝা বলেন, "বিহারের ক্ষেত্রে আমরা এনডিএ-র সমর্থনে নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে গত বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। নতুন সরকার নীতীশজির নীতিগুলি অব্যাহত রাখবে। তাঁর নির্দেশে কাজ করবে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও, তাঁর মনোযোগ বিহারেই থাকবে। সংসদের অধিবেশনের জন্য শুধু দিল্লি যাবেন।"