প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পুরোপুরি ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ও থাড-এর মতো অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা এবং ইউরোপীয় অস্ত্রশস্ত্র থাকা সত্ত্বেও দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সৌদি আরবের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডজুড়ে তেল শোধনাগার, বিমানবন্দর ও পাইপলাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ছড়িয়ে রয়েছে। ফলে একাধিক দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কা মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র একসঙ্গে ব্যবহার করে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে হুথিরা।

ইরানের সঙ্গে হুথিদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য রয়েছে। সৌদি আরবের সামরিক ভূমিকা এবং ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সমর্থনের বিরোধিতা করে হামলা চালানোর দাবি করেছে হুথিরা।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে রিয়াদ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কাছ থেকে আরও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে মার্কিন অস্ত্রের মজুত ও উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ থাকায় অতিরিক্ত সহায়তা কতটা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অত্যাধুনিক অস্ত্রভান্ডার থাকা সত্ত্বেও হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হুমকি সৌদি আরবের নিরাপত্তাব্যবস্থার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি কূটনৈতিক সমাধানের পথও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।