পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ অযোধ্যার রাম মন্দির থেকে চুরি হওয়া বিপুল অঙ্কের অর্থ উদ্ধার হলেও নিখোঁজ সোনার এখনও কোনো সন্ধান মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে তদন্তকারীদের ধারণা, চুরি যাওয়া সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে রূপান্তর করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে তা সহজে শনাক্ত করা না যায় ও লুকিয়ে রাখা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন:
বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর তদন্তে উঠে এসেছে, মন্দিরে দান হিসেবে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর একটি অংশ নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ বা প্রেরণ করা হয়নি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, সেই মূল্যবান সামগ্রীর কিছু অংশ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
তদন্তের অংশ হিসেবে বিশেষ তদন্তকারী দলের সদস্যরা রাম মন্দির পরিদর্শন করেন এবং মন্দিরের ইনচার্জ কেডি বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মন্দিরে সংরক্ষিত গয়না ও মূল্যবান সামগ্রীর তালিকা, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং হিসাব সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভক্তদের দানে পাওয়া মূল্যবান সামগ্রীর নিয়মিত পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। প্রতি তিন মাস অন্তর আয়-ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখা হলেও সোনা, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মজুত এবং পরিমাণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতো না বলে অভিযোগ উঠেছে।
তদন্তকারীদের অনুমান, চুরি হওয়া সোনা গলিয়ে বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, কারণ এভাবে সেগুলোকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং পাচারের ঝুঁকিও কমে যায়। বর্তমানে সেই সোনার সন্ধানে জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, মন্দিরে প্রাপ্ত দানের মূল্যবান ধাতুর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৯৪৪ কেজি রুপো পরীক্ষা ও গলানোর জন্য সরকারি টাকশালে পাঠানো হয়েছিল। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই পূর্বে জানিয়েছিলেন, ভক্তদের অনুদান হিসেবে ট্রাস্ট প্রায় ১৩ কুইন্টাল রুপো এবং প্রায় ২০ কেজি সোনা পেয়েছিল। চুরি হওয়া সোনার কোনো হদিশ এখনও না মেলায় রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।