দেবশ্রী মজুমদার, তারাপীঠ:  পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তারাপীঠ মন্দির খোলা থাকছে পনেরো জানুয়ারি অবধি। মঙ্গলবার তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয় তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ।  করোনা ও ওমিক্রন সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দির নিয়ে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিল তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ।  এই  বৈঠকে হাজির ছিলেন  পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায়,  রামপুরহাট মহকুমা শাসক সাদ্দাম নাভাস, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সায়ন আহমেদ, হোটেল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল গিরি, তারামাতা মন্দির সেবায়েত সমিতির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় সহ অন্যা‍ন্য সদস্যরা।   তবে লাইনে পঞ্চাশ জনের বেশি ভক্ত দাঁড়াতে পারবে না।

পঞ্চাশ জনের পুজো শেষ হলে ফের পঞ্চাশ জনের লাইন মন্দির চত্বরের একটি নির্দিষ্ট জায়গাতে প্রবেশ করতে পারবে। তবে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারবিধি বাধ্যতামূলক। মন্দির কমিটি দূরত্ব বিধি কঠোরভাবে বজায় রাখতে দ্বিগুন সংখ্যক নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত করেছে।

জানা গেছে গর্ভ গৃহে মাকে স্পর্শ করা বা অঞ্জলি দেওয়া যাবে না। বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দেওয়া যাবে।

গর্ভ গৃহে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। অন্যদিকে, হোটেলে অন লাইন বুকিং বন্ধ থাকবে।  তবে ফ্লাইয়িং পর্যটকদের রুম দেওয়া হবে। চালু থাকবে গণ পরিবহন ব্যবস্থা।

তারামাতা মন্দির সেবায়েত সমিতির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, কোভিড প্রটোকল মেনে মন্দির খোলা থাকবে পনেরো জানুয়ারি পর্যন্ত।

ফের যেমন সরকারি নির্দেশ আসবে তেমনি ব্যবস্থা হবে। তবে মন্দিরে এখন খুব কম দর্শনার্থী আসে। মন্দির খোলা থাকায় গণপরিবহন চালু থাকবে।

স্থানীয় বিধায়ক আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায় ও টি আর ডিএর ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, মানুষের রুজি রোজগারে প্রশ্নে খুবই ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সবটাই হবে স্বাস্থ্য বিধি মেনেই।