পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ চিনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর চাংশায় একটি আকাশচুম্বী ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। বহুতলে আগুন লাগার ফলে সমগ্র এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিল বলেই খবর। তবে কি ভাবে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলবাহিনী। ইতিমধ্যেই দমকল বাহিনী আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে।
আগুন নেভার পরেই এই বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলেই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এখনও কোনও কিছু নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। মূলত যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেটি ৪২ তলার এবং সেখানে একাধিক সংস্থার অফিস রয়েছে। যেমন টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি চায়না টেলিকমের অফিসও ছিল।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে।আরও পড়ুন:
https://twitter.com/Xinyan_Huang/status/1570697207166423040?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1570697207166423040%7Ctwgr%5E267b9d0a3f4ec0b8746bdce22b21c1a7df4bc54b%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.channelnewsasia.com%2Fasia%2Fchina-telecom-building-fire-changsha-city-cctv-hunan-2943481
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এখনও এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা অজানা। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির একটি ফুটেজে দেখতে পাওয়া গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানির একটি ভবনের বেশিরভাগ তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটির উচ্চতা প্রায় ৬৫৬ ফুট।
এত বেশি মাত্রায় আগুন ছড়িয়েছে যে, আকাশ ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে ৩৬টি দমকল এবং ২৮০ জন নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে, চায়না টেলিকম সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আজ (শুক্রবার) বিকেল ৪.৩০ মধ্যে চাংশায় তাঁদের ২ নম্বর কমিউনিকেশন টাওয়ারে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।আরও পড়ুন:
https://twitter.com/tongbingxue/status/1570695589876334593?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1570695589876334593%7Ctwgr%5E267b9d0a3f4ec0b8746bdce22b21c1a7df4bc54b%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.channelnewsasia.com%2Fasia%2Fchina-telecom-building-fire-changsha-city-cctv-hunan-2943481
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাই মাসে উত্তর-পূর্ব জিলিন প্রদেশে এমনই একটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে, সেই ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছিল। ২০১৭-সালে বেইজিংয়ের অভিবাসী এলাকাগুলিতে আরও এক অগ্নিকাণ্ডের ঘতনায় আরও দুই ডজন লোক মারা গিয়েছিল। তবে এদিনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।