১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার উত্তরপ্রদেশে বিএলও-র মৃত্যু!

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয়েছে এক বুথ স্তরের আধিকারিকের (বিএলও)। গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষামিত্রদের সংগঠনের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত চাপেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ওই আধিকারিক।

৫০ বছর বয়সি বিজয়কুমার বর্মা লখনউয়ের মলিহাবাদের বাসিন্দা এবং স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষামিত্র ছিলেন। তিনি নিজের এলাকাতেই বিএলও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন। অসুস্থতার খবর পেয়ে ১৪ নভেম্বর তাকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। লখনউয়ের জেলাশাসক বিশক জি অবশ্য স্বীকার করেছেন যে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেই মৃত্যু হয়েছে, তবে কাজের অতিরিক্ত চাপের অভিযোগ মানতে চাননি।

আরও পড়ুন: মানসিক অবসাদ থেকে চরম সিদ্ধান্ত, উত্তরপ্রদেশে ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা যুবকের

আগামী ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এসআইআর-এর তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা থাকায় বহু রাজ্যে বিএলও-দের ওপর চাপ বাড়ছে। লখনউয়ের এই মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষামিত্র সঙ্ঘ কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। সঙ্ঘের দাবি, সময়মতো কাজ শেষ না করলে এফআইআর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, ফোনে বারবার তাড়াহুড়ো করা হচ্ছিল—যা মারাত্মক মানসিক চাপ তৈরি করেছিল।

আরও পড়ুন: ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে ব্যক্তিকে খুন, উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ১৮ বছরের তরুণী

পরিবারের সদস্যরাও একই অভিযোগ তুলেছেন। গত সপ্তাহে বিজয়কুমার কাজ করতে করতেই আকস্মিকভাবে পড়ে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের স্কুল অনুষ্ঠানে বোরখা পরে উদ্যম নাচ, বিতর্কে তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

এদিকে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়—পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাতসহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর-এর বাড়তি চাপের অভিযোগ তুলছেন বিএলও-রা। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, কেউ আত্মহত্যা করছেন। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে—কেউ বলছে ভোটার তালিকা থেকে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত, কেউ আবার দাবি করছে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করার উদ্যোগ।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

দুর্নীতি দমন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিভক্ত মত; মামলা যাবে বৃহত্তর বেঞ্চে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার উত্তরপ্রদেশে বিএলও-র মৃত্যু!

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, রবিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয়েছে এক বুথ স্তরের আধিকারিকের (বিএলও)। গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষামিত্রদের সংগঠনের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার অতিরিক্ত চাপেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ওই আধিকারিক।

৫০ বছর বয়সি বিজয়কুমার বর্মা লখনউয়ের মলিহাবাদের বাসিন্দা এবং স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষামিত্র ছিলেন। তিনি নিজের এলাকাতেই বিএলও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন। অসুস্থতার খবর পেয়ে ১৪ নভেম্বর তাকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। লখনউয়ের জেলাশাসক বিশক জি অবশ্য স্বীকার করেছেন যে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেই মৃত্যু হয়েছে, তবে কাজের অতিরিক্ত চাপের অভিযোগ মানতে চাননি।

আরও পড়ুন: মানসিক অবসাদ থেকে চরম সিদ্ধান্ত, উত্তরপ্রদেশে ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা যুবকের

আগামী ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এসআইআর-এর তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা থাকায় বহু রাজ্যে বিএলও-দের ওপর চাপ বাড়ছে। লখনউয়ের এই মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষামিত্র সঙ্ঘ কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। সঙ্ঘের দাবি, সময়মতো কাজ শেষ না করলে এফআইআর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, ফোনে বারবার তাড়াহুড়ো করা হচ্ছিল—যা মারাত্মক মানসিক চাপ তৈরি করেছিল।

আরও পড়ুন: ধর্ষণের চেষ্টা প্রতিহত করতে ব্যক্তিকে খুন, উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ১৮ বছরের তরুণী

পরিবারের সদস্যরাও একই অভিযোগ তুলেছেন। গত সপ্তাহে বিজয়কুমার কাজ করতে করতেই আকস্মিকভাবে পড়ে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের স্কুল অনুষ্ঠানে বোরখা পরে উদ্যম নাচ, বিতর্কে তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

এদিকে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়—পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাতসহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর-এর বাড়তি চাপের অভিযোগ তুলছেন বিএলও-রা। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, কেউ আত্মহত্যা করছেন। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে—কেউ বলছে ভোটার তালিকা থেকে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত, কেউ আবার দাবি করছে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করার উদ্যোগ।