পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলায় গো-হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক চাঞ্চল্যকর ষড়যন্ত্রের হদিস পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর উদ্দেশ্যেই পুরো ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নূরপুর থানা এলাকার চাঙ্গিপুর গ্রামের প্রধান জগপাল এই ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হাসানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এবং তাঁকে আইনি জটিলতায় ফেলতেই গো-হত্যার ঘটনা ঘটানোর ছক কষা হয়।

তদন্তে উঠে এসেছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একাধিক ব্যক্তিকে কাজে লাগানো হয়েছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, ফয়জান, জুবায়ের এবং সালমানকে পশু জবাইয়ের জন্য ডাকা হয়, আর ব্রহ্মপাল একটি বাছুরের ব্যবস্থা করেন। পরে পশুটিকে রামাবতারের জমিতে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ঘটনাটি ঘটানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।

তদন্তকারীদের মতে, গোটা ঘটনাটি ছিল সুপরিকল্পিত। পুলিশের সন্দেহ, ঘটনার আগেই কয়েকটি স্থানীয় হিন্দু সংগঠনকে বিষয়টি সম্পর্কে জানানো হয়েছিল। ফলে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়।

এই ঘটনায় পুলিশের কাছে সন্দেহের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গো-হত্যার অভিযোগ সামনে আসতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর শুরু হয় বিস্তারিত তদন্ত। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জগপাল, তাঁর ভাই কিরণপাল ওরফে লালা, রামাবতার, ব্রহ্মপাল এবং ফয়জানকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।