পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ পুকুর জবরদখলের অভিযোগ ঘিরে বিতর্কে জড়ালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবির। অভিযোগ উঠেছে তিনি একটি পুকুর জবরদখল করে রেখেছিলেন। এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল পুলিশ। মাছ বিলিয়ে দিল গ্রামবাসীদের মধ্যে। 

হুমায়ুন কবির পুকুর জবর দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তাঁর দাবি তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছিলেন। লিজ নেওয়া সেই পুকুরে আজ ভোরে মাছ ধরছিলেন জেলেরা। সেই সময় খবর যায় শক্তিপুর থানার পুলিশের কাছে। খবর পেয়ে থানার ওসি অতনু দাস বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁর নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় মাছ ধরা।
এদিকে, জেলেদের ধরা ১ লক্ষ টাকার মাছ পুলিশ নজিরবিহীনভাবে বিলিয়ে দেয় গ্রামবাসীদের মধ্যে। হুমায়ুন কবিরের দাবি, পুকুরে লিজের মেয়াদ ছিল ২০৩২-৩৩ সাল পর্যন্ত। তা সত্ত্বেও পুলিশ জেলেদের কাছ থেকে মাছ কেড়ে বিলিয়ে দেয় বলে তাঁর অভিযোগ। হুমায়ুনের কথায়, গত ৭ দিন ধরে ওই পুকুরে মাছ ধরা চলছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরেও চলছিল মাছ ধরা।
প্রায় ১০০ জন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়েছিল বলে দাবি করেন হুমায়ুন কবির। তিনি পুলিশের এই পদক্ষেপের তীব্র নিদনা জানিয়েছেন। 

এদিকে, পুলিশের দাবি, ওই পুকুরের লিজের মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে। তারপরেও পুকুর নিজের দখলে করে রেখেছিলেন হুমায়ুন, যা অবৈধ। সেই কারণে সেখানে হুমায়ুনের লোকেদের দ্বারা মাছ ধরায় বাধা দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মাছ বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে।