শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের পর এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাসরি আক্রমণ করে তাঁর দাবি, কমিশনারদের বিজেপির সদর দফতরে বসেই কাজ করা উচিত।
আরও পড়ুন:
এসআইআর-সহ নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মধ্যেই অভিজিৎ বলেন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাঁর অভিযোগ, কমিশন বিজেপির পক্ষে কাজ করছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীকচিহ্ন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়েও তিনি সরব হন।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমে অভিজিৎ বলেন, নির্বাচনী প্রতীক কেড়ে নেওয়া এবং প্রার্থীদের জেলে পাঠানোর মতো পরিস্থিতি হলে নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনই নেই। তাঁর কথায়, নির্বাচন কমিশনাররা বিজেপির সদর দফতরে বসে কাজ করলে নির্দেশ নিতে তাঁদের যাতায়াত ও যোগাযোগের খরচও কমবে।
আরও পড়ুন:
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ করে অভিজিৎ আরও বলেন, বিজেপিকে জেতানোর জন্য তিনি অনেক পরিশ্রম করছেন। বিভিন্ন রাজ্যে দল ভাঙা এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার মতো কাজের অভিযোগ তুলে তাঁর কটাক্ষ, এত পরিশ্রমের পর কমিশনের উচিত সেই ‘কৃতিত্বের’ বিনিময়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং মন্ত্রী পদ বা রাজ্যসভার আসন পাওয়া।
আরও পড়ুন:
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ।
নির্বাচনে আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির জয় প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে টাকা ও ক্ষমতার প্রভাবেও নির্বাচন পরিচালিত হচ্ছে। বিলাসবহুল গাড়িতে প্রচার চালানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে আরএসএসের আদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের জায়গা করে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।আরও পড়ুন:
পড়ুয়াদের আন্দোলন এবং এফআইআর নিয়েও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করেন অভিজিৎ। তাঁর দাবি, পড়ুয়ারা আন্দোলন করলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও এবিভিপির আন্দোলনের ক্ষেত্রে একই ধরনের পদক্ষেপ দেখা যায় না। দলিত, আদিবাসী এবং আরএসএস-বিরোধী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে বেশি করে এফআইআর করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
অভিজিতের ভাষায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে আরএসএসের শাখায় পরিণত করার একটি ‘রোডম্যাপ’ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এগুলি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ ও বক্তব্য; নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই বক্তব্যের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়নি।