পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশের রাজ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান থেকে ৬০৩১ অঅনুমোদিত লাউড স্পিকার খুলে দিল পুলিশ। সেই সঙ্গে ২৯,৬৭৪টি জায়গা থেকে শব্দের মাত্রাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই যে সব জায়গায় লাউডস্পিকার থেকে শব্দ দূষণ ছড়াচ্ছে তার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আইন ও শৃঙ্খলার অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রশান্ত কুমার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ধর্মীয় স্থানগুলি থেকে লাউড স্পিকার গুলির শব্দের মাত্রা কম করার নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে নির্দেশিকায় জানানো হয় শব্দ মাত্রা ধর্মীয় স্থানগুলির মধ্যেই রাখতে হবে, যাতে আশেপাশের মানুষের অসুবিধা না হয়। যোগীর সরকারের নির্দেশিকার পরে জোর কদমে অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রশাসন।
আরও পড়ুন:
সরকারি তথ্য অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত আগ্রা থেকে ৩০টি অঅনুমোদিত লাউড স্পিকার খুলে দেওয়া হয়েছে, ৯০৫টি জায়গার শব্দমাত্রা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মীরাট থেকে ১২১৫টি অঅনুমোদিত লাউড স্পিকার খুলে নেওয়া হয়েছে, বরেলি থেকে ১০৬০, লখনউ থেকে ৯১২টি, কানপুর থেকে ১০৫৬, প্রয়াগরাজ থেকে ১টি, গোরক্ষপুর থেকে ২টি, বারাণসী থেকে ১৩৮, গৌতম বুদ্ধ নগর থেকে ১৯, বারাণসী কমিশনারেট থেকে ১৬০টি লাউড স্পিকার খুলে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
মীরাটে ৫৯৭টি জায়গায় লাউড স্পিকারের শব্দ মাত্রা কমানো হয়েছে, বরেলি ৬২৫৬টি জায়গায়, লখনউ ৬৪০০টি জায়গায়, কানপুরের ১৬১৩টি জায়গায়, প্রয়াগরাজের ১০৬৩ জায়গা, গোরক্ষপুর ২, ৬টি, বারাণসী ২৪১৬টি জায়গায়। লখনউ কমিশনারেট ১২৩৫টি জায়গা, কানপুর কমিশনারেট ৯৫টি জায়গা, ৪৮২ গৌতম বুদ্ধ নগর, ৩৬৪ বারাণসী কমিশনারেট।
আরও পড়ুন:
কর্তৃপক্ষ লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পর্কে ৩৮,৩৪৪ জন ধর্মীয় নেতার সঙ্গে কথা বলেছে। রমজান মাস শেষ হওয়ার পরপরই ৩১,০০০ টি স্থানে ২৯ এপ্রিল আলবিদা (রমজানের শেষ শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে পুলিশকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: