পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ২০১৮ সালরে এপ্রিল মাসে সারা দেশে প্রথম স্থান র্অজন করে তিনি নিমহ্যান্স বেঙ্গালুরুতে নিউরোলোজির চিকিৎসায় যোগদান করেন। এরপর থেকে হাওড়ার এই কৃতি সন্তান একের পর এক সাফল্যরে মাধ্যমে পশ্চমিবঙ্গ তথা গোটা দেশকে গর্বিত করছেনে। ২০২৩ সালে কানাডার মন্ট্রিয়েলে অনুষ্ঠতি ওর্য়াল্ড কংগ্রসে অফ নিউরোলোজিতে তাঁর গবষেণা " সেরা ক্লিনিক্যাল রিসার্চ" হিসেবে স্বীকৃতি পায়, যা নিমহ্যান্সের ইতিহাসে এক গুরুত্বর্পূণ মাইলফলক।কিছুদিন আগে তিনি ও তার টীম ভুলে যাওয়া রোগ ডিমনেশিয়ার চিকিৎিসা আবিষ্কার করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালে তিনি নিমহ্যান্স থেকে সেরা ডিএম ক্যান্ডিডেট হিসেবে গোল্ড মেডেল র্অজন করনে।
একই সঙ্গে তিনি হাওড়া ও শিলিগুড়িতে রোগী দেখার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরয়িার সিওলে অনুষ্ঠতি বিশ্ব নিউরোলোজি সম্মলেনে নিমহ্যান্সরে জন্য আন্তর্জাতিক সম্মান র্অজন করেন।আরও পড়ুন:
তাঁর কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিতে নিমহ্যান্সের নিউরোলোজি বিভাগ ডক্টর এম এমসামমি ও তাঁর টিমকে সম্মাননা প্রদান করল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা যুগান্তকারী, এটা ইতহিাস। সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নিমহ্যান্সের ডিন প্রফসের অতচায়ারা মনালীনি নিউরলোজি বিভাগের প্রধান ডক্টর পি এস মথুরানাথ ও প্রাক্তন প্রধান প্রফেসর ডক্টর প্রমোদ কুমার।
আরও পড়ুন:
উল্লখেযোগ্যভাবে, ডা.এম এম সামিম আমেরিকার কানসাস বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিউরোলোজি গবষেণার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন, যা সারা দেশে মাত্র দুজন নিউরোলোজিস্ট পেয়েছেন।
আরও পড়ুন:
র্বতমানে তিনি বেঙ্গালুরুর সাই বাবা হাসপাতালে র্কমরত। তবে পশ্চমিবঙ্গরে রোগীদরে সুবধিার কথা ভেবে তিনি প্রতি মাসে হাওড়ার ডোমজুড়ে রোগী দেখেন যেখানে পশ্চিমবঙ্গ বিহার অসম ও বাংলাদশেরে রোগীরা চিকিৎসা পান।
আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, বেঙ্গালুরু ও ভেলোর থেকে ফিজিওথেরাপি, সাইকিয়াট্রি, গাইনিকোলজি, কার্ডিওলজি ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরাও নিয়মিত হাওড়ায় এসে চিকিৎসা পরিষেবা দিছেন। ফলে অনকে রোগীকেই আর ভেলোর, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ বা বেঙ্গালুরুতে যেতে হচ্ছে না। ভবষ্যিৎ পরকিল্পনা সর্ম্পকে ডা. এম এম সামিম জানান, যেমন তিনি দক্ষিণ ভারতের চিকিৎসা পরিষেবা পশ্চিমবঙ্গে এনেছেন তেমনি আগামী দিনে আমেরিকার উন্নত চিকিৎসা পরিষেবাও এখানকার মানুষরে কাছে পৌঁছে দিতে চান।
আরও পড়ুন:
যোগাযোগ করতে পারেনঃ ৯০৩৮৯০২৬৭৭ এবং ৭৪৫০৯০২৬৭৭ ফোন নম্বরে।