পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি অভিযানের সময় কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে যে, রাজ্য পুলিশের উপর তাদের কোনো আস্থা নেই। সেই কারণেই এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআই তদন্তের আওতায় নিয়ে আসা উচিত বলে তারা মনে করে।
আরও পড়ুন:
ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি, যখন কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের স্বার্থে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি।
অভিযোগ রয়েছে, সেই তল্লাশি চলাকালীন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ইডি আধিকারিকদের সরকারি কাজে বাধা দিয়েছিলেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফেও পালটা ইডির বিরুদ্ধে জোর করে দলের গোপন নথি হাতানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করা হয়েছিল।আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি সম্পন্ন হয়।
শুনানিতে মমতার আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী সওয়াল করেন যে, রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং চার মাস সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, তাই বর্তমান সরকারই পুলিশ দিয়ে তদন্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই বলে তিনি দাবি করেন।আরও পড়ুন:
আদালত এই বিষয়ে ইডির মতামত জানতে চাইলে ইডির আইনজীবী এসবি রাজু রাজ্য পুলিশের তদন্তের প্রস্তাবে সরাসরি অসম্মতি প্রকাশ করেন এবং সিবিআই তদন্তের দাবিতেই অনড় থাকেন। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন করে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চাওয়ার আইনি যৌক্তিকতা নিয়েও শুনানিতে প্রশ্ন তুলেছেন মমতার আইনজীবী। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।