পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দিল্লিতে চলমান এসআইআর প্রক্রিয়ার অধীনে প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৪৭ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়তে চলেছে। দিল্লি মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তার (CEO) কার্যালয় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শহরের ১.৪৫ কোটি ভোটারের মধ্যে ৯৭.৪৭ লক্ষ ভোটার (৬৭.১৮ শতাংশ) তাঁদের গণনা ফর্ম জমা দিয়েছেন, যা বুথ স্তরের কর্মকর্তাদের দ্বারা ডিজিটাইজ করা হয়েছে। অবশিষ্ট যাঁদের ফর্ম জমা পড়েনি, তাঁদের নাম আপাতত প্রাথমিক খসড়া তালিকা থেকে বাদ থাকছে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও ওই ভোটারদের জন্য দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকছে।
এসআইআর প্রক্রিয়ার তৃতীয় পর্যায় পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির তুঘলকাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রে সবচেয়ে কম সংখ্যক ফর্ম জমা পড়েছে। সেখানে মাত্র ৫২ শতাংশ ভোটার ফর্ম জমা দিয়েছেন এবং বাকি ৪৮ শতাংশ ভোটার অনুপস্থিত বা অনুপলব্ধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এরপরই সর্বনিম্ন হার দেখা গেছে ওখলা বিধানসভা কেন্দ্রে, যেখানে ৫৪.৬৬ শতাংশ ভোটার ফর্ম জমা দিয়েছেন। এছাড়া কস্তুরবা নগর ও কালকাজি কেন্দ্রে এই হার যথাক্রমে ৫৬ শতাংশ এবং ৫৭ শতাংশ। দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লি জেলায় মোট ১৫,৫৭,২৮৯ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৮,৭৭,০৬৪ জন ফর্ম জমা দিয়েছেন, যা মোট পরিমাণের মাত্র ৫৬.৩২ শতাংশ।
অন্যদিকে, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির রোহিণী বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৮৩.৪৩ শতাংশ (১,২৫,৪৭৮ জন) ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি যেসব কেন্দ্রে বেশি হারে ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে শকুরবস্তি (৮১.২৬%), রাজৌরি গার্ডেন (৭৯.১৪%), মঙ্গলপুরী (৭৮.৭৬%) এবং উত্তম নগর (৭৭.৭৬%)। যাঁরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গণনা ফর্ম জমা দিতে পারেননি, তাঁরা তালিকা সংশোধনের নির্দিষ্ট সময়সীমায় উপযুক্ত ফর্ম (ফর্ম ৬) পূরণ করে তাঁদের দাবি ও আপত্তি দাখিল করার সুযোগ পাবেন। এরপর সিইও কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং সমস্ত আবেদন পর্যালোচনা করে নিষ্পত্তি করা হবে।