পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে নিযুক্ত আদালত বান্ধব (অ্যামিকাস কিউরি) বিজয় হংসরিয়ার পেশ করা সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের ১৪ জন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। শীর্ষ আদালতে জমা দেওয়া ৯৬ পাতার ওই রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেবন্ত রেড্ডি। তাঁর বিরুদ্ধে সর্বাধিক ৮৯টি গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। মামলার সংখ্যার নিরিখে এরপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যাঁর বিরুদ্ধে ২৯টি এই ধরনের মামলা রয়েছে।

তৃতীয় স্থানে থাকা কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে ১৯টি মামলা রয়েছে।

রিপোর্টে উল্লিখিত অন্যান্য মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নায়ডুর বিরুদ্ধে ১৯টি এবং কেরলের ভিডি সতীশনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে। এছাড়া ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও মহারাষ্ট্রের দেবেন্দ্র ফডণবীসের বিরুদ্ধে পাঁচটি করে, হিমাচল প্রদেশের সুখবিন্দর সিংহ সুখুর বিরুদ্ধে চারটি, তামিলনাড়ুর সি জোসেফ বিজয় ‘তলপতি’ এবং বিহারের সম্রাট চৌধরীর বিরুদ্ধে দু’টি করে মামলা রয়েছে। একটি করে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে সিকিমের প্রেমসিংহ তামাং, পঞ্জাবের ভগবন্ত মান, ওড়িশার মোহনচরণ মাঝি এবং রাজস্থানের ভজনলাল শর্মার বিরুদ্ধে।

মুখ্যমন্ত্রীদের পাশাপাশি দেশের আইনপ্রণেতাদের বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় মামলা রয়েছে। বিধায়কদের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ থাকার নিরিখে শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। দল নির্বিশেষে এই রাজ্যের ১৭০ জন বিধায়ক (৫৮ শতাংশ) এমন মামলায় অভিযুক্ত। শতাংশের বিচারে পশ্চিমবঙ্গের পরেই রয়েছে যথাক্রমে কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা। অন্যদিকে, লোকসভার ১৭০ জন এবং রাজ্যসভার ৭৫ জন সাংসদ ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত, যার মধ্যে রাজ্যসভার ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। পশ্চিমবঙ্গের ৪২ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৬ জন এবং তেলঙ্গানার ১৭ জন সাংসদের মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।