বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিশর। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় পাওয়ার পর সেই ঐতিহাসিক সাফল্য ফিলিস্তিনের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান। তাঁর এই আবেগঘন বার্তার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায়ও দেখা যায় আনন্দের বিরল দৃশ্য।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত শেষ বত্রিশের ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ১-১ সমতা ছিল মিশর ও অস্ট্রেলিয়ার।
পরে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেয় আফ্রিকার দেশটি।ম্যাচের শুরুতেই ইমাম আশুরের গোলে এগিয়ে যায় মিশর। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। এরপর টাইব্রেকারে মিশরের ফুটবলাররা স্নায়ুর পরীক্ষা উতরে গিয়ে নিশ্চিত করেন ঐতিহাসিক জয়।
আরও পড়ুন:
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আবেগাপ্লুত হোসাম হাসান বলেন, “আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন এবং শহীদদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন। এই জয় আমি মিশরের জনগণ এবং ফিলিস্তিনের সম্মানিত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি।”
আরও পড়ুন:
জয়ের পর মাঠে মিশর ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে উদযাপন করতে দেখা যায় কোচকে। খেলোয়াড়রাও সিজদায় লুটিয়ে পড়ে ঐতিহাসিক এই অর্জনের জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন:
কোচের এই বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গাজার বহু বাসিন্দা মিশরের জয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ জানান, দীর্ঘদিন পর ফুটবল তাদের মুখে হাসি ফিরিয়ে এনেছে।
আরও পড়ুন:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের মাঝেও অস্থায়ী পর্দায় খেলা দেখছেন শত শত মানুষ। অনেক শিশুর মুখে আঁকা ছিল মিশরের পতাকা। গোলের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত দর্শকেরা। যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যেও ফুটবল গাজার মানুষের জীবনে এনে দিয়েছে স্বস্তি ও আনন্দের কিছু মুহূর্ত।