পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একে একে সবাই ছেড়ে চলে যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রিয় ‘ববি’, স্নেহের ‘অরূপ’, শ্রদ্ধেয় ‘সুদীপদা’- সকলেই মমতার সং ছেড়েছেন। এবার তৃণমূলের সব পদ ছেড়ে দিয়েছেন অভিমানী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, "দিদি আমাকে ফোন করে বলেন আমি নাকি তৃণমূল ভবন ওদের হাতে তুলে দিয়েছি।
" শুক্রবার রাতে মমতার ফোন যাওয়ার পরেই দলের সব পদ থেকে সরে দাঁড়ান চন্দ্রিমা। আর তারপরেই বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধায়দের সঙ্গেও বৈঠক করলেন চন্দ্রিমা।আরও পড়ুন:
গতকাল রাতেই মেট্রোপলিটনে তৃণমূল ভবনের দখন নেয় ঋতব্রত শিবির। এমনকি নতুন তালাও আনা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
তিনি জানান, তিনি এর তীব্র বিরোধিতা করেন। এদিন চন্দ্রিমা তৃণমূলের সব পদ ছাড়ার পর কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, তিনি তো মন্ত্রিসভায় সব থেকে বেশি সময় ছিলেন। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পেয়েছেন। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মন্তব্যে অভিমান হয়নি? কালীঘাট-পন্থী তৃণমূল অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে, গত ২২ জুন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে সৌরভ বসু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ডাকা নিউ টাউনের হোটেলের মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। ফলে ছেলে যখন শিবির বদলেছেন, মা-ও যে সে পথে হাঁটবেন তা আগে থেকেইআঁচ করা যাচ্ছিল।আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, এদিন পদত্যাগের পর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সোজা বিধানসভায় চলে যান। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন সন্দীপন সাহা ঋতব্রত শিবিরের অন্যন্য বিধায়করা। তাঁরা চন্দ্রিমাকে সিদ্ধান্ত জানান। পরে সন্দীপন সাহার সঙ্গে ভিতরে ঢুকে যান চন্দ্রিমা। সেখানে বৈঠক করেন। বৈঠকে ছিলেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, চন্দ্রনাথ সিনহারা। জল্পনা শুরু হয়েছে চন্দ্রিমাকে দলের রাজ্য সভানেত্রী করা হতে পারে।