পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আর তারপরেই ফেসবুক লাইভে নিজেকে সামনে এনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির এবং বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যারা তৃণমূল ছাড়ছেন তাঁদের তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। একইসঙ্গে তৃণমূলকে নতুন করে গড়ে তোলারও ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা। চন্দ্রিমার পদ ছাড়ার পরেই নিজেই রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মমতা। এছাড়াও, সংগঠন চালানোর জন্য দুজন সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন:
মমতা এদিন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ও বেলেঘাটার কুণাল ঘোষকে রাজ্য তৃণমূলের নতুন দুই সাধারণ সম্পাদক করার কথা ঘোষণা করেন। মমতা এদিন ফেসবুক লাইভে এসে জানিয়ে দেন, কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠনটাও এখন আমি চালাব। আপাতত আমার কাজ নেই। সারাদিন দলটাই দেখব।
এমনি আমি রোজ এই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব। এছাড়া কাজ চালাতে সুবিধার জন্য দু’জন সাধারণ সম্পাদক ঠিক করেছি। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হবেন সাধারণ সম্পাদক। তাঁরা এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন।আরও পড়ুন:
গতকাল রাতেই মেট্রোপলিটনে তৃণমূল ভবনের দখন নেয় ঋতব্রত শিবির।
এমনকি নতুন তালাও আনা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, তিনি এর তীব্র বিরোধিতা করেন। এদিন চন্দ্রিমা তৃণমূলের সব পদ ছাড়ার পর কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, তিনি তো মন্ত্রিসভায় সব থেকে বেশি সময় ছিলেন। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর পেয়েছেন। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মন্তব্যে অভিমান হয়নি? কালীঘাট-পন্থী তৃণমূল অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছে, গত ২২ জুন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে সৌরভ বসু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ডাকা নিউ টাউনের হোটেলের মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। ফলে ছেলে যখন শিবির বদলেছেন, মা-ও যে সে পথে হাঁটবেন তা আগে থেকেই আঁচ করা যাচ্ছিল। মমতাও এদিন চন্দ্রিমার পদক্ষেপের কথা আগে থেকে আঁচ করেছিলেন বলে জানান।