পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: ইরানে আমেরিকার হামলার তীব্র নিন্দা জানাল জামাআত-ই-ইসলামি হিন্দ। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়, যেখানে ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করার পাশাপাশি এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মজলিসে শুরার বৈঠকে বলা হয়, ইসরাইল ও আমেরিকার যৌথ আগ্রাসন শুধু মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং গোটা মানবজাতির জন্য ভয়াবহ হুমকি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা দমননীতি ও ইসরাইলের আগ্রাসনকেই এই সংকটের জন্য মূলত দায়ী করেছে জামায়াত।
আরও পড়ুন:
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এখনও পর্যন্ত ইরানের পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘনের কোনও প্রমাণ দিতে পারনি।
তা সত্ত্বেও ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকা হামলা চালিয়েছে। এই হামলা একটি অগ্রহণযোগ্য, বেপরোয়া ও মানবতা-বিরোধী পদক্ষেপ।আরও পড়ুন:
জাময়াতে ইসলামি হিন্দের শুরা বৈঠকে এই হামলার ফলে সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়—যার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য নিরীহ মানুষের প্রাণহানি, পরিকাঠামোগত ধ্বংস, সাধারণ মানুষের বিপদ ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়।
আরও পড়ুন:
সংগঠনটি বলছে, ইসরাইলের একতরফা আগ্রাসনকে ‘আত্মরক্ষা’ বলা হয়। অথচ ইরানের প্রতিক্রিয়াকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে প্রচার করা হয়।
এই ধরনের দ্বিচারিতা বিশ্বশান্তির জন্য চরম হুমকি।আরও পড়ুন:
জামায়াতে ইসলামি হিন্দ ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়, যেন তারা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়, নিরপেক্ষতা বজায় রাখে। সংগঠনটির দাবি, ভারত ঐতিহাসিকভাবে যে নীতি অনুসরণ করেছে, সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ও তৃতীয় বিশ্বের নিপীড়িতদের পাশে থাকা— সেই পথে যেন থাকে।
আরও পড়ুন:
জামায়াত মুসলিম বিশ্বের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন শুধু বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব শেষ না করে, বরং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসন থামাতে চাপ সৃষ্টি করে।
আরও পড়ুন:
সবশেষে, জামায়াত ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষদের আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন ইরানের জনগণ ও অন্যান্য নিপীড়িতদের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়ের পক্ষে এবং বিশ্বশান্তির জন্য সোচ্চার হন।