‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ আপাতত অতীত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে না পারায় নতুন নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব জমা দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। সূত্রের খবর, তিনটি বিকল্প নামের পাশাপাশি দুটি প্রতীকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কমিশনকে।
আরও পড়ুন:
মমতা শিবিরের প্রস্তাবিত দুটি প্রতীকই খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
একটি ফুটবলার এবং অন্যটি ক্রিকেট ব্যাট। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগান রাজনৈতিক প্রচারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই স্লোগানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই খেলার প্রতীক বেছে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
দলের নামের ক্ষেত্রেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
তিনটি প্রস্তাব হল—‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’ এবং ‘তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’। কালীঘাট শিবিরের বক্তব্য, মমতাই দলের মুখ হওয়ায় তাঁর নামের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।আরও পড়ুন:
নির্বাচন কমিশন ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও সংরক্ষিত জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। মমতা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরকেই বিকল্প নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
এদিকে ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের বিকল্প নাম ও প্রতীকের তালিকা কমিশনে জমা দিয়েছে। তাদের প্রস্তাবিত নামের মধ্যে রয়েছে ‘ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল তৃণমূল কংগ্রেস’।
আরও পড়ুন:
দুই পক্ষের প্রস্তাব খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। অন্তর্বর্তী এই ব্যবস্থা আগামী উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেই কার্যকর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক সম্মেলন নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আজ বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে পারেন বলে কালীঘাট শিবির সূত্রে খবর।