২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জি ২০ বিজ্ঞাপনের পিছনে ৫০ কোটি ব্যয় মোদি সরকারের, চাঞ্চল্য রিপোর্ট

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বিজ্ঞাপনে  ৫০ কোটি ব্যয় মোদি সরকারের।দাবি রিপোর্টের।জি ২০ প্রেসিডেন্সি হওয়ার পর বিজ্ঞাপনের পিছনে এই টাকা ব্যয় করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত জি২০ প্রেসিডেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিজ্ঞাপনের দৌলতে ৫০,৬৪,৮৪,৯৯৬ টাকা খরচ করেছে প্রধানমন্ত্রী। তথ্য জানার অধিকার আইনে করা আবেদনের ভিত্তিতে এই তথ্য জানা  গিয়েছে।তবে কোন মন্ত্রকের তরফে এই বিপুল অঙ্কের টাকা জোগানো হবে, তা জানানো হয়নি তথ্য জানার অধিকার আইনে। তবে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন জানিয়েছে, এই অর্থ জোগাবে বিদেশমন্ত্রক।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার থেকে জি ২০ প্রেসিডেন্সি গ্রহণ করে ভারত। সারা বিশ্বের সামনে ভারতের ক্ষমতা তুলে ধরতে এটি একটি ‘কেকে চেরির’ ঘটনা বলে মন্তব্য করেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগামী সেপ্টেম্বরে জি ২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সম্মেলন হবে দিল্লিতে। তার আগে পর্যন্ত প্রায় ২০০টি নানা ধরণের অনুষ্ঠান এবং বৈঠক হবে ভারতের বিভিন্ন জায়গায়।

 জি ২০ প্রেসিডেন্সি ঘোষণার পর থেকেই রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মেট্রো স্টেশন, রেক, নানা জায়গা ভরে গিয়েছে বিজ্ঞাপনে।

 দিল্লির মেট্রোর দেওয়ালে বিজ্ঞাপনে ছয়লাপ। রেকগুলির বাইরে বড় পোস্টার এবং ভিতরে ছোটো পোস্টারে জি ২০ প্রেসিডেন্সির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, বসুদেব কটুম্বকম।

বিজ্ঞাপনের জন্য ১০০টির বেশি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্য জানার অধিকার আইনে বিজ্ঞাপন সম্প্রচারের মাধ্যম জানতে চাওয়া হয়। তার জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, রেডিওতে বিজ্ঞাপনের পিছনে খরচ ১.১০ কোটি টাকা। টেলিভিশনে এই সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি এবং খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

অন্য একটি আরটিআই আবেদন করেছিলেন তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে। তিনি জানতে চান, কোন টেলিভিশন চ্যানেলকে কত টাকার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই তথ্য জানানো হয়নি।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, গত এক বছরে বিজ্ঞাপন খাতে ৭০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি নষ্ট করবে এই যুক্তিতে কোন চ্যানেল কত টাকার বিজ্ঞান পেয়েছে সেই তথ্য জানায়নি মোদি সরকার।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধের আশঙ্কা: এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগোর সমস্ত উড়ান স্থগিত, ইজ়রায়েলে ভারতীয়দের জন্য সতর্কতা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জি ২০ বিজ্ঞাপনের পিছনে ৫০ কোটি ব্যয় মোদি সরকারের, চাঞ্চল্য রিপোর্ট

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বিজ্ঞাপনে  ৫০ কোটি ব্যয় মোদি সরকারের।দাবি রিপোর্টের।জি ২০ প্রেসিডেন্সি হওয়ার পর বিজ্ঞাপনের পিছনে এই টাকা ব্যয় করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত জি২০ প্রেসিডেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিজ্ঞাপনের দৌলতে ৫০,৬৪,৮৪,৯৯৬ টাকা খরচ করেছে প্রধানমন্ত্রী। তথ্য জানার অধিকার আইনে করা আবেদনের ভিত্তিতে এই তথ্য জানা  গিয়েছে।তবে কোন মন্ত্রকের তরফে এই বিপুল অঙ্কের টাকা জোগানো হবে, তা জানানো হয়নি তথ্য জানার অধিকার আইনে। তবে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন জানিয়েছে, এই অর্থ জোগাবে বিদেশমন্ত্রক।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার থেকে জি ২০ প্রেসিডেন্সি গ্রহণ করে ভারত। সারা বিশ্বের সামনে ভারতের ক্ষমতা তুলে ধরতে এটি একটি ‘কেকে চেরির’ ঘটনা বলে মন্তব্য করেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগামী সেপ্টেম্বরে জি ২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সম্মেলন হবে দিল্লিতে। তার আগে পর্যন্ত প্রায় ২০০টি নানা ধরণের অনুষ্ঠান এবং বৈঠক হবে ভারতের বিভিন্ন জায়গায়।

 জি ২০ প্রেসিডেন্সি ঘোষণার পর থেকেই রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মেট্রো স্টেশন, রেক, নানা জায়গা ভরে গিয়েছে বিজ্ঞাপনে।

 দিল্লির মেট্রোর দেওয়ালে বিজ্ঞাপনে ছয়লাপ। রেকগুলির বাইরে বড় পোস্টার এবং ভিতরে ছোটো পোস্টারে জি ২০ প্রেসিডেন্সির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, বসুদেব কটুম্বকম।

বিজ্ঞাপনের জন্য ১০০টির বেশি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্য জানার অধিকার আইনে বিজ্ঞাপন সম্প্রচারের মাধ্যম জানতে চাওয়া হয়। তার জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, রেডিওতে বিজ্ঞাপনের পিছনে খরচ ১.১০ কোটি টাকা। টেলিভিশনে এই সংক্রান্ত কোনও বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি এবং খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

অন্য একটি আরটিআই আবেদন করেছিলেন তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে। তিনি জানতে চান, কোন টেলিভিশন চ্যানেলকে কত টাকার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। যদিও সেই তথ্য জানানো হয়নি।

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, গত এক বছরে বিজ্ঞাপন খাতে ৭০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি নষ্ট করবে এই যুক্তিতে কোন চ্যানেল কত টাকার বিজ্ঞান পেয়েছে সেই তথ্য জানায়নি মোদি সরকার।