০৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসিনা-ম্যাক্রোঁ বৈঠক, ঢাকা-প্যারিস নয়া সম্পর্ক নিয়ে জোর চর্চা

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার প্যারিসের এলিসি প্যালেসে বৈঠকও করেছেন দুই নেতা। তাঁদের এই বৈঠকে উঠে এসেছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, উন্নয়ন, নিরাপত্তা, জলবায়ু ও রোহিঙ্গা সংকটের মতো ইস্যুগুলোও। এসব বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা। ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আগামী বছর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তিসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয়পক্ষই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে ফ্রান্সের সরকার ও জনগণের মূল্যবান সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়: ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও ফ্রান্স দুই দেশই রাজনীতি, কূটনীতি, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে সহমত পোষন করেছে ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও ফ্রান্স প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেই লক্ষ্যে উভয় দেশই আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে, বিশেষ করে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে। এছাড়া প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য প্রযুক্তি হস্তান্তরে সহযোগিতা বাড়াতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে দুই দেশ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

কথা হয়েছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী প্রেরণের বিষয়েও। এছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মহানুভবতার প্রশংসা করেছে ফ্রান্স। এর কারণে বাংলাদেশের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে তারা। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে গুরুত্বারোপ করেছে ফ্রান্স ও বাংলাদেশ।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

খামেনি হত্যার প্রতিবাদের ভিডিয়ো শেয়ার: শ্রীনগরের সাংসদ রুহুল্লাহ মেহদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাসিনা-ম্যাক্রোঁ বৈঠক, ঢাকা-প্যারিস নয়া সম্পর্ক নিয়ে জোর চর্চা

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২১, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার প্যারিসের এলিসি প্যালেসে বৈঠকও করেছেন দুই নেতা। তাঁদের এই বৈঠকে উঠে এসেছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, উন্নয়ন, নিরাপত্তা, জলবায়ু ও রোহিঙ্গা সংকটের মতো ইস্যুগুলোও। এসব বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা। ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আগামী বছর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তিসহ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয়পক্ষই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে ফ্রান্সের সরকার ও জনগণের মূল্যবান সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নতুন অধ্যায়: ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও ফ্রান্স দুই দেশই রাজনীতি, কূটনীতি, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে সহমত পোষন করেছে ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

বাংলাদেশ ও ফ্রান্স প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সেই লক্ষ্যে উভয় দেশই আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে, বিশেষ করে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে। এছাড়া প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য প্রযুক্তি হস্তান্তরে সহযোগিতা বাড়াতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে দুই দেশ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

কথা হয়েছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী প্রেরণের বিষয়েও। এছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মহানুভবতার প্রশংসা করেছে ফ্রান্স। এর কারণে বাংলাদেশের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে তারা। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে গুরুত্বারোপ করেছে ফ্রান্স ও বাংলাদেশ।