পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দিঘা সফর শেষ করে বৃহস্পতিবারই কলকাতায় ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর আগামী সপ্তাহের শুরুতেই, মঙ্গলবার ৬ মে, মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বহরমপুরে পৌঁছে সার্কিট হাউসে থাকবেন। সার্কিট হাউসেই তিনি সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরû তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করবেন।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি মেদিনীপুরের এক সরকারি অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি ধুলিয়ান ও সামশেরগঞ্জ যাবেন।
ওই সভা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন হিংসার আগুনে যে সমস্ত পরিবারের বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের আবাস যোজনায় নতুন করে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদের জন্য বিশেষ প্রকল্প ঘোষণা হতে পারে।জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান জানান, আগামী ৬ মে মঙ্গলবার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামশেরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে এবং সুতির ছাবঘাটি কেডি বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক সভা করতে আসছেন। জেলা কমিটি তারই প্রস্তুতি শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা করে হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত হয় নবাবের শহর। ঘটে প্রাণহানিও।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, উপযুক্ত সময়ে তিনি মুর্শিদাবাদের যাবেন। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে তিনি সেখানে যেতে চান না বলেও জানিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ ও প্রশাসন এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ করেছে। এই আবহে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন মমতা।আরও পড়ুন:
[আরও পড়ুন: আমি এখন কীভাবে তোমায় জড়িয়ে ধরব মা? - ফিলিস্তিনি মাহমুদ]
আরও পড়ুন:
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী অশান্তির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির হাতে ক্ষতিপূরণের অর্থ ও বাড়ি নির্মাণের অনুদান তুলে দেবেন।
সামশেরûগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে সংঘাতের পাশাপাশি সুতিতে ছাবঘাটি কেডি বিদ্যালয়ের মাঠে তাঁর একটি প্রশাসনিক সভাও রয়েছে। সেই সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশ দিতে পারেন।উল্লেখ্য, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুর্শিদাবাদে অশান্তির ঘটনায় যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল তাঁদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবারের সফরে সেই টাকা তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। যাঁদের বাড়ি ভেঙে গিয়েছে এবং যাঁরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এইসব বিষয় পর্যলোচনা ছাড়াও সামশেরগঞ্জে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন মুখ্যমন্ত্রী।