পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় টানা ১০ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর ভবানী ভবনের সিআইডি দপ্তর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। শুক্রবার রাতে তলবের নোটিস পাওয়ার পর, সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রক্ষাকবচ নিয়ে এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেন তিনি। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে সেখান থেকে বেরিয়েই সরাসরি অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যান সুমিত। তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁর থেকে কী তথ্য পেয়েছেন তা এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, সূত্রের খবর, আগামী কাল তাঁকে পুনরায় তলব করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জমি দুর্নীতি-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জমি মামলাতেই তদন্তে সহযোগিতার শর্তে শীর্ষ আদালত থেকে তিনি জামিন পেয়েছেন। দুর্নীতির বেআইনি টাকা হাত ঘুরে তাঁর কাছে পৌঁছনোর গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেপ্তারের পরই এই দুর্নীতিতে সুমিতের নাম প্রকাশ্যে আসে।
ছাব্বিশের নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মাসখানেক আগে সুমিতের খোঁজে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি চালালেও তিনি বেপাত্তা ছিলেন।আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে পুলিশের আবেদনে মেদিনীপুর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিস জারি করে। এরপরই আইনি পথে হেঁটে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে রক্ষাকবচ পান তিনি। সম্পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না জড়ালেও, জেরা শেষে সুমিতের সোজা তাঁর বাড়িতে যাওয়ার ঘটনাটি নতুন করে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা উসকে দিয়েছে।