পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের পর শনিবার প্রথমবার জনসমক্ষে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আইআইটি দিল্লির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রায় তিন হাজার ছাত্রছাত্রীর উদ্দেশে তিনি বার্তা দেন যে, প্রশ্ন করার অধিকার সকলের যেমন আছে, তেমনই রাষ্ট্রের প্রতি প্রত্যেককে নিজেদের দায়িত্বও পালন করতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সম্প্রতি নিট বিক্ষোভের পর থেকে এভাবেই সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মন জয় করার চেষ্টা করছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ছাত্রজীবনের সঙ্গে বাস্তব জীবনের পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পাসের বাইরের জীবন সম্পূর্ণ আলাদা।
সেখানে কোনও নির্দিষ্ট প্রশ্নপত্র থাকে না, জীবনের পরীক্ষায় সবকিছুই পাঠ্যক্রমের বাইরে বা আউট অফ সিলেবাস থেকে আসে। সেখানে নিজেকেই প্রশ্ন করতে হয় এবং উত্তরও নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। এই লড়াইয়ে যিনি শিখবেন, তিনিই জিতবেন। নতুন প্রজন্মের ওপর অগাধ আস্থা প্রকাশ করে তিনি জানান, আজকের আত্মনির্ভর ভারতে যুবসমাজের সামনে প্রচুর সুযোগ রয়েছে এবং দেশের উন্নতির জন্য এই যুবসমাজকে ভীষণ প্রয়োজন।আরও পড়ুন:
এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত অত্যাধুনিক সুপার কম্পিউটার ‘পরম প্রজ্ঞা’-র উদ্বোধন করেন। বর্তমানে এটি আইআইটি দিল্লির সোনপত ক্যাম্পাসে রাখা রয়েছে। বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নানা জটিল সমস্যার সমাধানে এই সুপার কম্পিউটার গবেষক, শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিন তিন হাজারেরও বেশি স্নাতক এবং ৫৮৭ জন পিএইচডি স্কলারের হাতে ডিগ্রির শংসাপত্র তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি মেধা তালিকায় সেরাদের ‘প্রেসিডেন্টস গোল্ড মেডেল’, ‘ডিরেক্টর্স গোল্ড মেডেল’, ‘শঙ্করদয়াল শর্মা গোল্ড মেডেল’ এবং ‘পারফেক্ট টেন গোল্ড মেডেল’-এর মতো সম্মানজনক পুরস্কারগুলিও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকেই গ্রহণ করেন কৃতী ছাত্রছাত্রীরা।